May 22, 2026, 9:33 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতেও। ঢাকা থেকে প্রায় ৪৩৪ কিলোমিটার দূরের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে—যেখানে তাঁর জন্ম—সেখানকার মানুষও আজ তাঁর স্মৃতিতে ব্যথিত।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার শৈশবের নানা স্মৃতি এখনো জীবন্ত জলপাইগুড়িবাসীর মনে। তাঁর মৃত্যু সেখানে অনেকের কাছে প্রিয় একজনকে হারানোর বেদনার মতোই।

১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি এলাকায় জন্ম হয় খালেদা জিয়ার। সেখানেই শুরু হয় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। পরে তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইস্কান্দার পরিবার নিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে যান।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নীলাঞ্জন দাসগুপ্ত জানান, খালেদা জিয়ার বাবা দাস অ্যান্ড কো-র সঙ্গে কাজ করতেন। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছিল নয়াবস্তির আমাদের চেনা একটি বাড়িতে। ১৯৫০ সালের দিকে তারা সবাই বাংলাদেশে চলে যান।”

ইতিহাসবিদ উমেশ শর্মা বলেন, খালেদা জিয়ার পড়াশোনা শুরু হয়েছিল যোগমায়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে পড়ার পর তাকে ভর্তি করা হয় সুনিতিবালা সদর গার্লস হাইস্কুলে। পরে পরিবার দেশত্যাগ করায় পড়াশোনা আর এগোয়নি। এখনো তাঁর জন্মস্থানটি রয়েছে, যদিও মালিকানা বদলে গেছে।

স্থানীয়দের স্মৃতিতে রয়ে গেছে তাঁর পরিবারের আসা-যাওয়ার গল্পও। শুহরিদ মণ্ডল বলেন, “খালেদা জিয়ার স্বজনরা প্রায়ই এখানে আসতেন। কিছুদিন আগেই তাঁর ভাতিজিও জন্মস্থান দেখতে এসেছিলেন। দেশ যদি ভাগ না হতো—এ কথাই আমরা প্রায়ই ভাবি।”

সুনিতিবালা স্কুলের প্রাথমিক শাখার প্রধান শিক্ষক অরূপ দে জানান, “আমরা জেনেছি, খালেদা জিয়া আমাদের স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। নতুন সেশনে শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি অনুষ্ঠান করার কথা ভাবছি।”

জলপাইগুড়ির অনেকের কাছে খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিক নয়—নিজ শহরের একটি স্মৃতি ও আবেগের নাম। তাই তাঁর মৃত্যুশোকে জলপাইগুড়িতেও নেমে এসেছে নীরব বেদনার ছায়া।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *