February 19, 2026, 10:36 pm
Headline :
ডিজিটাল দুনিয়ায় ফিরল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়: ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি চালু হলো ওয়েবসাইট জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন এই মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। মন্ত্রিসভা গঠনে কিন্তু কোন নতুন উত্তর পাইনি।’  সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন রাজিব আহসান নোয়াখালীতে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রশিবিরের র‍্যালি দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন মাসুদের রহমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন এমপি। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হচ্ছেন সিলেটের মুক্তাদীর বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা: রাজপথের লড়াকু ছাত্রদল কি তবে অবহেলিতই থাকছে? বাগেরহাটের ৪টি আসনে বিএনপি পেল একজন ধানের শীষের কাণ্ডারি ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতেও। ঢাকা থেকে প্রায় ৪৩৪ কিলোমিটার দূরের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে—যেখানে তাঁর জন্ম—সেখানকার মানুষও আজ তাঁর স্মৃতিতে ব্যথিত।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার শৈশবের নানা স্মৃতি এখনো জীবন্ত জলপাইগুড়িবাসীর মনে। তাঁর মৃত্যু সেখানে অনেকের কাছে প্রিয় একজনকে হারানোর বেদনার মতোই।

১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি এলাকায় জন্ম হয় খালেদা জিয়ার। সেখানেই শুরু হয় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। পরে তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইস্কান্দার পরিবার নিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে যান।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নীলাঞ্জন দাসগুপ্ত জানান, খালেদা জিয়ার বাবা দাস অ্যান্ড কো-র সঙ্গে কাজ করতেন। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছিল নয়াবস্তির আমাদের চেনা একটি বাড়িতে। ১৯৫০ সালের দিকে তারা সবাই বাংলাদেশে চলে যান।”

ইতিহাসবিদ উমেশ শর্মা বলেন, খালেদা জিয়ার পড়াশোনা শুরু হয়েছিল যোগমায়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে পড়ার পর তাকে ভর্তি করা হয় সুনিতিবালা সদর গার্লস হাইস্কুলে। পরে পরিবার দেশত্যাগ করায় পড়াশোনা আর এগোয়নি। এখনো তাঁর জন্মস্থানটি রয়েছে, যদিও মালিকানা বদলে গেছে।

স্থানীয়দের স্মৃতিতে রয়ে গেছে তাঁর পরিবারের আসা-যাওয়ার গল্পও। শুহরিদ মণ্ডল বলেন, “খালেদা জিয়ার স্বজনরা প্রায়ই এখানে আসতেন। কিছুদিন আগেই তাঁর ভাতিজিও জন্মস্থান দেখতে এসেছিলেন। দেশ যদি ভাগ না হতো—এ কথাই আমরা প্রায়ই ভাবি।”

সুনিতিবালা স্কুলের প্রাথমিক শাখার প্রধান শিক্ষক অরূপ দে জানান, “আমরা জেনেছি, খালেদা জিয়া আমাদের স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। নতুন সেশনে শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি অনুষ্ঠান করার কথা ভাবছি।”

জলপাইগুড়ির অনেকের কাছে খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিক নয়—নিজ শহরের একটি স্মৃতি ও আবেগের নাম। তাই তাঁর মৃত্যুশোকে জলপাইগুড়িতেও নেমে এসেছে নীরব বেদনার ছায়া।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *