April 6, 2026, 11:53 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতেও। ঢাকা থেকে প্রায় ৪৩৪ কিলোমিটার দূরের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে—যেখানে তাঁর জন্ম—সেখানকার মানুষও আজ তাঁর স্মৃতিতে ব্যথিত।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার শৈশবের নানা স্মৃতি এখনো জীবন্ত জলপাইগুড়িবাসীর মনে। তাঁর মৃত্যু সেখানে অনেকের কাছে প্রিয় একজনকে হারানোর বেদনার মতোই।

১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি এলাকায় জন্ম হয় খালেদা জিয়ার। সেখানেই শুরু হয় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। পরে তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইস্কান্দার পরিবার নিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে যান।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নীলাঞ্জন দাসগুপ্ত জানান, খালেদা জিয়ার বাবা দাস অ্যান্ড কো-র সঙ্গে কাজ করতেন। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছিল নয়াবস্তির আমাদের চেনা একটি বাড়িতে। ১৯৫০ সালের দিকে তারা সবাই বাংলাদেশে চলে যান।”

ইতিহাসবিদ উমেশ শর্মা বলেন, খালেদা জিয়ার পড়াশোনা শুরু হয়েছিল যোগমায়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে পড়ার পর তাকে ভর্তি করা হয় সুনিতিবালা সদর গার্লস হাইস্কুলে। পরে পরিবার দেশত্যাগ করায় পড়াশোনা আর এগোয়নি। এখনো তাঁর জন্মস্থানটি রয়েছে, যদিও মালিকানা বদলে গেছে।

স্থানীয়দের স্মৃতিতে রয়ে গেছে তাঁর পরিবারের আসা-যাওয়ার গল্পও। শুহরিদ মণ্ডল বলেন, “খালেদা জিয়ার স্বজনরা প্রায়ই এখানে আসতেন। কিছুদিন আগেই তাঁর ভাতিজিও জন্মস্থান দেখতে এসেছিলেন। দেশ যদি ভাগ না হতো—এ কথাই আমরা প্রায়ই ভাবি।”

সুনিতিবালা স্কুলের প্রাথমিক শাখার প্রধান শিক্ষক অরূপ দে জানান, “আমরা জেনেছি, খালেদা জিয়া আমাদের স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। নতুন সেশনে শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি অনুষ্ঠান করার কথা ভাবছি।”

জলপাইগুড়ির অনেকের কাছে খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিক নয়—নিজ শহরের একটি স্মৃতি ও আবেগের নাম। তাই তাঁর মৃত্যুশোকে জলপাইগুড়িতেও নেমে এসেছে নীরব বেদনার ছায়া।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *