July 7, 2026, 8:59 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

খুলনার উপকূলীয় এলাকায় বিশাল মিঠা পানির খনির সন্ধান

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক :

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট একটি চিরস্থায়ী সমস্যা। তবে এবার খুলনার পশুর নদী সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলের মাটির গভীরে দুটি বিশাল মিঠা পানির খনি সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা এলাকার পানিসংকট কমাতে সহায়ক হতে পারে।

গবেষণার মূল বিষয়সমূহ:

গবেষণা প্রতিষ্ঠান: কলাম্বিয়া ক্লাইমেট স্কুলের ল্যামন্ট-ডোহার্টি আর্থ অবজারভেটরি। প্রকাশিত সাময়িকী: ‘নেচার কমিউনিকেশন্স’। ‘ডিপ-সেন্সিং ম্যাগনেটো টেলুরিক সাউন্ডিং’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাটির কয়েক কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত পরীক্ষা।

মিঠা পানির খনির বিবরণ:

উত্তরাঞ্চল: ২,৬০০ ফুট গভীরে, প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ। দক্ষিণাঞ্চল: ৮২০ ফুট গভীরে, প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ। পানি জমা হয়েছে প্রায় ২০ হাজার বছর আগে, হিমযুগে বৃষ্টি ও বন্যার মাধ্যমে। ধারণা করা হচ্ছে, মোট মিঠা পানি রয়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন ঘনমিটার।

গবেষকদের সতর্কতা:

খনিগুলো থেকে পানি উত্তোলন করতে হলে সুপার পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। অপরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত পানি তোলার ফলে ওপরে থাকা লবণাক্ত পানি নিচে ঢুকে খনিগুলো নষ্ট করতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খুলনা অঞ্চলসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় কোটি কোটি মানুষের সুপেয় পানির সংকট স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব।

গবেষকগণ:

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়: কেরি কি, নাফিস সাজিদ, মার্ক পারসন। বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনোয়ার ভূঁইয়া, মাহফুজুর আর খান, কাজী এম আহমেদ। বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যৌথ উদ্যোগে এই আবিষ্কার খুলনা ও সমগ্র বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানি সরবরাহের নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

সূত্র: স্টেট অব দ্য প্ল্যানেট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *