January 11, 2026, 8:37 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

ভারতে আবারও আলোচনায় বাংলাদেশের ‘বিকৃত’ মানচিত্র: নয়াদিল্লির ব্যাখ্যা

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক :
নয়াদিল্লি – পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার বাংলাদেশ সফরের সময় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া একটি উপহার নিয়ে ভারতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির কিছু গণমাধ্যম দাবি করেছে, উপহারে বাংলাদেশের মানচিত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলও দেখানো হয়েছে, যা ‘বিকৃত মানচিত্র’ হিসেবে আলোচিত হয়েছে।

ভারতীয় সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ী বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে এমন একটি গ্রাফিতির বই উপহার দিয়েছেন, যেখানে ভারতের কিছু অংশ বাংলাদেশের মানচিত্রের সঙ্গে যুক্ত দেখানো হয়েছে। কূটনৈতিক প্রোটোকলে এই ধরনের কাজ কি গ্রহণযোগ্য?” এর জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানান, “যে বইটি দেওয়া হয়েছে, ‘দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’, সেটি জুলাই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতির সংকলন। এখানে কোনো বিকৃত মানচিত্র নেই। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ থেকে এর ব্যাখ্যা ইতিমধ্যেই এসেছে।”

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং-এর ফেসবুক পেজেও এই বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “ভারতীয় গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জেনারেলকে বিকৃত মানচিত্র সহ একটি পতাকা উপহার দিয়েছেন। এটি সম্পূর্ণ অসত্য। বইটিতে বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি সংকলন রয়েছে, কোনো মানচিত্র বিকৃত করা হয়নি।” এই ঘটনার পর, বিষয়টি এখন কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে নয়, বরং মিডিয়ায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যা ও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *