May 23, 2026, 6:21 am
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

পুতিন-জেলেনস্কির ‘ঘৃণা’ই যুদ্ধ বন্ধের প্রধান বাধা: ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি–র মধ্যে গভীর ঘৃণাই ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সবচেয়ে বড় বাধা। তিনি এই মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ অক্টোবর) এক নৈশভোজে দেওয়া বক্তৃতায়।

ট্রাম্প বলেন, তিনি আগেরই ভেবেছিলেন একটি সমাধান হওয়া উচিত ছিল—“আমি সত্যিই ভেবেছিলাম দুই মাস আগে একটা সমাধান হয়ে গেছে। দুই নেতার মধ্যে ঘৃণাটা অনেক বেশি, এবং সেটাই বড় বাধা—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।” তিনি আরও বলেন, যদি শর্তগুলো মিলে যেতো তাহলে এই যুদ্ধ এক সপ্তাহেই শেষ করা যেত। বর্তমানে যুদ্ধটি চতুর্থ বছরে প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

ট্রাম্পের কথায়, তিনি চাইছেন পরিস্কারভাবে যে যুদ্ধ থামুক — “ইউক্রেনীয়দের হত্যা বন্ধ করুন, রাশিয়ানদের মৃত্যু বন্ধ করুন। এটা পুতিনের ভাবমূর্তিকেও ভালো দেখায় না।”
সংক্ষেপে: কী বলা হলো এবং কেন গুরুত্বপূর্ন
মূল বক্তব্য: দুই নেতার ব্যক্তিগত বৈরভাব ও ঘৃণাই কোনো সম্ভাব্য সমঝোতা বাধাগ্রস্ত করছে — ট্রাম্পের মতে সবচেয়ে বড় বাধা এখানেই।
ট্রাম্পের দাবি: তিনি সম্ভাব্যভাবে দ্রুত সমাধান আনতে পারতেন; কিন্তু তা হয়নি।
প্রাসঙ্গিকতা: যুদ্ধের অবস্থা ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনোভাব শান্তি আলোচনা ও মধ্যস্থতার সফলতায় বড় ভূমিকা রাখে—ট্রাম্পের মন্তব্য সেই বাস্তবতাকে আড়ালে রাখে না।

টেন্টিভ বিশ্লেষণ (সংক্ষিপ্ত)
ব্যক্তিগত বৈরাভাব ব্যবস্থাপনাই কবে কখনো কূটনৈতিক সমঝোতার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে — এটা ইতিহাসে আছে। ট্রাম্প এখানে মূলত নেতৃত্বের মানসিকতা ও রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তিকেই যুদ্ধবিরতির পূর্বশর্ত হিসেবে তুলে ধরেছেন।
তাঁর বক্তব্য কূটনৈতিকভাবে সরাসরি কৃপণ: কার্যকর সমাধানের দিক থেকে যে প্রস্তাব বা শর্তগুলো ছিল সেগুলো নিয়ে প্রশাসনিক/আইনি বিশ্লেষণ না করে তিনি মূলত রাজনৈতিক-মানসিক বাধা আলোকপাত করেছেন।
শেষ কথা :
ট্রাম্পের মন্তব্যটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচিত হতে পারে—বিশেষত যেখানে মধ্যস্থতা, নেতাদের পারস্পরিক আস্থা এবং শান্তি প্রক্রিয়ার কৌশলগত উপাদান প্রশ্নবিদ্ধ। রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক কেমন, সেটাই কখনো কখনো যুদ্ধবিরতি অথবা আলোচনার সুযোগকে নির্ধারণ করে দিতে পারে—এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের কথাগুলি প্রাসঙ্গিকতা রাখে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *