May 22, 2026, 10:21 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

রাবিতে রাজাকার প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন রাবি ছাত্রদলের

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি:

মহান বিজয় দিবসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের’ প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে ‘হানাদার হান্ট’ নামে এই উদ্যোগ গ্রহণ করে রাবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

সরাসরি দেখায়, তিনটি মাটির হাঁড়িতে ‘রাজাকার, আলবদর, আলশামস’ লেখা ছিল। অংশগ্রহণকারীরা সেখানে জুতা নিক্ষেপ করছেন এবং যাদের হাঁড়িতে সঠিকভাবে জুতা লাগতে পারে, তাদের চকলেট পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, “একাত্তরে রাজাকার ও পাকিস্তানি বাহিনীর দোসররা লাখ লাখ নারীকে নির্যাতন ও হত্যা করেছে। সেই সঙ্গে যারা লাল-সবুজের পতাকার জন্য প্রাণ দিয়েছে, তাদেরও নির্মমভাবে হত্যা করেছে। মহান বিজয় দিবসে আমরা এসব ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “এই কর্মসূচির মাধ্যমে যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে, লাল-সবুজের পতাকাকে অবমূল্যায়ন করে এবং পাকিস্তানপন্থী চেতনা ধারণ করে, তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা প্রকাশ করা হয়েছে।”

সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল মিঠু জানান, “একাত্তরের ঘাতক দালালরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে জনগণকে হত্যা করেছিল। তাদের প্রতি ঘৃণা ও ইতিহাস স্মরণ করতেই আজকের এই উদ্যোগ। একাত্তরের দেশদ্রোহী রাজাকারদের ক্ষমা দেওয়া ছিল একটি চরম ভুল, যার মাশুল আজও আমরা দিচ্ছি। তাদের আদর্শধারী ও বংশধররা এখনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।”

মিঠু আরও বলেন, “যারা প্রকাশ্য দিবালোকে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, আজও তারা নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে। আমাদের এই কর্মসূচি সেই চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *