April 7, 2026, 1:52 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

হাসিনার সম্পদের লোভ আছে: বিচারক

স্টাফ রিপোর্টার :

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা তিনটি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে কঠোর পর্যবেক্ষণ
রায় ঘোষণার সময় বিচারক শেখ হাসিনার ভূমিকা নিয়ে তীব্র মন্তব্য করেন। তিনি বলেন—
“শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ আছে। তিনি চাইলে এ বরাদ্দ বাতিল করতে পারতেন, কাগজ ছুড়ে ফেলতে পারতেন। তার লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ও আইনমন্ত্রী ছিলেন—চাইলে তাদের মাধ্যমে মানা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি প্লট নেন। এতে রাজউক, গৃহায়ন মন্ত্রণালয় ও শেখ হাসিনা—তিন পক্ষই অপরাধ করেছেন।”

বিচারক আরও প্রশ্ন তোলেন—
“চারবার ক্ষমতায় থাকার পরও কেন তাকে টাকা-সম্পত্তি প্রতারণা করে নিতে হবে?”
তিনি বলেন, কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহারের কারণে সাধারণ নাগরিকেরা তাদের প্রাপ্য প্লট থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

জয়–পুতুলসহ অন্যদের শাস্তি
তিন মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকেও ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিরাও ভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত হয়েছেন।

মামলার পটভূমি
প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুদক গত জানুয়ারিতে পৃথক ছয়টি মামলা করে। তদন্ত শেষে সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এরপর ৩১ জুলাই শেখ হাসিনাসহ তিন মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *