নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে “অমানবিক ও নৃশংস” আখ্যা দিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং আসন্ন নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।” বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় এখনই সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নইলে ওত পেতে থাকা দুষ্কৃতকারীরা জাতির অস্তিত্ব বিপন্ন করবে।” ফখরুল হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে গুলিবিদ্ধদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
বুধবার বিকেলে নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন এরশাদ উল্লাহ। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই সময় আরও কয়েকজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন বলে জানা গেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘটনাটিকে নির্বাচনী ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা জরুরি।”
নিহত সারওয়ার হোসেন বাবলার বাবা আবদুল কাদের অভিযোগ করেছেন, এ হামলা ঘটিয়েছে স্থানীয় শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অনুসারীরা। তাঁর দাবি, “সাজ্জাদ অন্তত ১৩টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত।” বাবলা হত্যার ন্যায্য বিচারও দাবি করেছেন তিনি। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পতন হলেও কিছু দুষ্কৃতকারী পুনরায় নৈরাজ্যের পথে ফিরেছে। দলের মতে, এরশাদ উল্লাহসহ গুলিবিদ্ধদের ওপর হামলা সেই অপতৎপরতারই নির্মম বহিঃপ্রকাশ।