January 11, 2026, 11:50 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

আবার এক হয়ে যাবে দুই বাংলা, বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা

আবার এক হয়ে যাবে দুই বাংলা

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:

ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত ঘিরে বিজেপির সংসদ সদস্য জগন্নাথ সরকারের মন্তব্যে দুই বাংলায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। গতকাল শনিবার পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের মাটিয়ারী বানপুরে এক কর্মসূচিতে তিনি বলেন,

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া তুলে দেওয়া হবে। আগেও এক ছিল বাংলা, আবার এক হয়ে যাবে। তার এই বক্তব্য মুহূর্তেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে। বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়ে মন্তব্যটিকে “অবিবেচনাপ্রসূত” বলে আখ্যা দিয়েছে।

স্থানীয় তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি শুভদীপ সরকার বলেন, উনি বিভিন্ন সময় অপ্রাসঙ্গিক কথা বলেন। আমরা ওনার সুস্থতা কামনা করি। সীমান্ত সুরক্ষা একটি কেন্দ্রীয় বিষয়—এটি কোনো রাজ্যের এখতিয়ার নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যে বিজেপির অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সীমান্তে যেখানে সম্প্রতি এসআইআর (সিটিজেনশিপ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া) শুরু হয়েছে এবং বিজেপি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে—সেই প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য দলটির নিজস্ব নীতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

এদিকে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, জগন্নাথ সরকারের এই মন্তব্য কি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ হুমকি, নাকি কেবলই রাজনৈতিক আবেগে দেওয়া বক্তব্য? যা-ই হোক, তার এই বক্তব্যে সীমান্ত রাজনীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ও বিতর্ক শুরু হয়েছে দুই বাংলায়।

এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপডেটের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া চলছে। বিজেপি দাবি করছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অন্যদিকে তৃণমূল অভিযোগ করছে, বৈধ ভোটারদের নামও তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এমন সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে বিজেপি সাংসদের মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে দলের পক্ষে বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *