জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:
ইউক্রেনকে দূরপাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন। তবে এই অস্ত্র সরবরাহের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে রয়ে গেছে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, পেন্টাগনের মূল্যায়ন অনুযায়ী এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অস্ত্র মজুদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। অক্টোবরের শুরুতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাতের কিছুক্ষণ আগেই হোয়াইট হাউসে এ সংক্রান্ত নথি পৌঁছায়।
ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি স্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সক্ষমতা বাড়াতে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো চাইছে। প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত জাহাজ বা সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, ইউক্রেনীয় বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পদ্ধতি নিয়ে এখনো কিছু অপারেশনাল বিষয় পর্যালোচনাধীন রয়েছে। তবে ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো পেন্টাগনের এই মূল্যায়নকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। তাদের মতে, এতে একাধিক কৌশলগত উদ্বেগের অবসান ঘটেছে।
যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবুজ সংকেত দেন, তবে দ্রুত সরবরাহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে জেলেনস্কির সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিজেরই প্রয়োজন।”
এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ঘোষণা করেছিলেন, তাদের লক্ষ্য বছরের শেষ নাগাদ দূরপাল্লার হামলা ক্ষমতা আরও জোরদার করা।
অন্যদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ক্রেমলিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেনকে মার্কিন টমাহক সরবরাহ করলে তা সংঘাতকে “গুরুতরভাবে উস্কে দেবে” এবং ইউরোপে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়াবে।