April 8, 2026, 9:00 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

মনির হত্যা মামলায় হাজী সেলিম ও ছেলে সোলায়মানের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

মনির হত্যা মামলায় হাজী সেলিম ও ছেলে সোলায়মানের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ঝুট ব্যবসায়ী মনির হত্যার মামলায় সাবেক এমপি হাজী সেলিম এবং তার ছেলে সোলায়মান সেলিমকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিএম ফারহান ইশতিয়াক এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই দিনে হাজী সেলিম ও সোলায়মানকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মাইনুল ইসলাম খান পুলক তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে হাজী সেলিমের পক্ষে আইনজীবী প্রাণ নাথ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড অনুমোদন দেন।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাজী সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। এর কিছু সময় পর ১৪ নভেম্বর সোলায়মান সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের জুলাই আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ঝুট ব্যবসায়ী মনির ওই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করছিলেন। তখনই অভিযুক্তদের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার গত ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ৩৫১ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে, এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলার ৭ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে কামরুল ইসলাম নামও রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *