July 8, 2026, 9:18 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

মনির হত্যা মামলায় হাজী সেলিম ও ছেলে সোলায়মানের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

মনির হত্যা মামলায় হাজী সেলিম ও ছেলে সোলায়মানের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ঝুট ব্যবসায়ী মনির হত্যার মামলায় সাবেক এমপি হাজী সেলিম এবং তার ছেলে সোলায়মান সেলিমকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিএম ফারহান ইশতিয়াক এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই দিনে হাজী সেলিম ও সোলায়মানকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মাইনুল ইসলাম খান পুলক তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে হাজী সেলিমের পক্ষে আইনজীবী প্রাণ নাথ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড অনুমোদন দেন।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাজী সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। এর কিছু সময় পর ১৪ নভেম্বর সোলায়মান সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের জুলাই আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ঝুট ব্যবসায়ী মনির ওই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করছিলেন। তখনই অভিযুক্তদের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার গত ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ৩৫১ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে, এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলার ৭ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে কামরুল ইসলাম নামও রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *