January 12, 2026, 11:13 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

মাদুরোকে নিয়ে ট্রাম্পের তীব্র ভাষা, উত্তেজনার মধ্যে সামরিক তৎপরতা জোরদার যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় কড়া মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে মাদুরো বড় ধরনের ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি একটি অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করে বলেন, “তিনি (মাদুরো) সবকিছুই প্রস্তাব করেছেন, কারণ তিনি আমাদের সঙ্গে গরমিল করতে চান না।”
মাদকবিরোধী অভিযানে জোরালো অবস্থান:
মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ—তিনি আন্তর্জাতিক মাদকচক্রে জড়িত। এরই অংশ হিসেবে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: স্টিলথ যুদ্ধবিমান,৭টি মার্কিন নৌজাহাজ,বি-৫২ বোমারু বিমানের উপকূলবর্তী টহল,ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট Flightradar24 নিশ্চিত করেছে যে, এই সপ্তাহের শুরুতে বি-৫২ বিমান কয়েক ঘণ্টা ধরে ভেনেজুয়েলার উপকূলে টহল দিয়েছে।

“মাদকবাহী সাবমেরিনে হামলা” দাবি ট্রাম্পের:
ট্রাম্প জানান, “আমরা একটি সাবমেরিন ধ্বংস করেছি, যেটি প্রচুর মাদক পরিবহনের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত হয়েছিল।” মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আরও জানান, এই হামলায় কেউ বেঁচে আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করেনি যে, হামলায় নিহত ব্যক্তিরা মাদক পাচারকারীই ছিলেন। সমালোচনা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ কিছু আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞের মতে, যথাযথ প্রমাণ ছাড়া এমন সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন হতে পারে—even যদি লক্ষ্যবস্তু সত্যিকার অপরাধী হয়ে থাকে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বলছে—এই সামরিক তৎপরতা তাদের বৈশ্বিক প্রস্তুতি এবং হুমকি প্রতিরোধের প্রতীক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *