April 7, 2026, 9:52 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

এক ঘরে ৪ হাজার ২৭১ ভোটার! উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকায় চাঞ্চল্য

এক ঘরে ৪ হাজার ২৭১ ভোটার! উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকায় চাঞ্চল্য

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মহোবা জেলায় ভোটার তালিকায় গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে। জেলার একটি ভাঙাচোরা ছোট ঘরে পাওয়া গেছে একসঙ্গে ৪ হাজার ২৭১ ভোটারের নাম। এ ঘটনা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

আম আদমি পার্টির (আপ) রাজ্যসভার সংসদ সদস্য সঞ্জয় সিং সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, “গতকাল মাহোবার দুটি বাড়ির কথা বলেছিলাম, যেখানে যথাক্রমে ২৪৩ জন ও ১৮৫ জন ভোটার নিবন্ধিত। কিন্তু এবার একটি মাত্র ঘরে ৪ হাজার ২৭১ ভোটার পাওয়া গেছে। যদি তা সত্যি হয়, তবে ওই পরিবারের সদস্যসংখ্যা প্রায় ১২ হাজার হওয়া উচিত।”

সঞ্জয় সিংয়ের অভিযোগ, বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশে উত্তরপ্রদেশে ভোট চুরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আসন্ন ২০২৬ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলমান ভোটার তালিকা সংশোধনে এ ধরনের অনিয়ম প্রকাশ পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় ঘরের মালিকসহ আশপাশের মানুষরাও বিস্মিত। বাড়ির মালিক বলেন, “যখন বুথ অফিসার আমাকে জানালেন আমার বাড়িতে নাকি চার হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে, তখন ভেবেছিলাম তিনি মজা করছেন।”

অন্যদিকে স্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টিকে ‘ক্লারিক্যাল ভুল’ বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন। তাদের দাবি, তিনটি ওয়ার্ডের নাম ভুলবশত বাড়ি নম্বর ৮০৩-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। সহকারী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আরপি বিশ্বকর্মা জানান, “গ্রামে ঘরের নম্বর সঠিকভাবে ব্যবহার হয় না। তথ্য প্রবেশের সময় বহু নাম এক ঠিকানায় চলে এসেছে। ভোটাররা আসল, শুধু ঠিকানায় সমস্যা হয়েছে।”

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুনওয়ার পঙ্কজ সিং স্বীকার করেন, ২০২১ সালেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *