আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের এক ভয়াবহ যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স এই খবর নিশ্চিত করেছে। অত্যন্ত সুরক্ষিত স্থানে শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন এই হামলা চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে তেহরানের একটি উচ্চ-সুরক্ষিত কম্পাউন্ডে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান বাহিনী। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, খামেনির প্রাসাদটি পুরোপুরি ধসে পড়েছে এবং চারপাশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি এবং ইরানি সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় খামেনির পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন: ১. আলী শামখানি: সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব। ২. মোহাম্মদ পাকপুর: ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) কমান্ডার। ৩. খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্য (মেয়ে, নাতনি ও জামাতা)।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে এই সফল অভিযানের কথা নিশ্চিত করে বলেন, “খামেনি নিহত হয়েছেন এবং এটি ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ।” অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন একে ‘শাহাদাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দেশজুড়ে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম, রয়টার্স, আল জাজিরা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।