May 22, 2026, 9:31 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

পাসপোর্ট অফিসের ‘অভিশপ্ত’ ভোগান্তি কি তবে শেষ? দালালের খপ্পর থেকে বাঁচতে সরকারের যুগান্তকারী মাস্টারপ্ল্যান!

সালাহউদ্দিন আহমেদ | ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ztvbangla.com প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬


ঢাকা: রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পাসপোর্ট অফিসের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা, আর দালালের হাতে হাজার হাজার টাকা খুইয়ে নিঃস্ব হওয়া—এ যেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্যলিপি। নিজের হকের পাসপোর্টের জন্য আর কতদিন দালালের পায়ে ধরতে হবে? আপনার ঘাম ঝরানো টাকা আর চোখের পানির কি কোনো দাম নেই?

অবশেষে সেই অন্তহীন আর্তনাদ কি তবে থামতে চলেছে? পাসপোর্ট অফিসের অন্ধকার গলিতে জিম্মি থাকা সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে এক অভাবনীয় ‘মাস্টারপ্ল্যান’ হাতে নিয়েছে সরকার।

কী সেই পরিবর্তন?

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ই-পাসপোর্ট আসার পর অভিযোগের সংখ্যা আগের চেয়ে কমলেও, ডিজিটাল জটিলতার সুযোগ নিয়ে এখনো সাধারণ মানুষকে পকেট কাটছে একদল অসাধু চক্র। এই ‘অদৃশ্য সিন্ডিকেট’ গুঁড়িয়ে দিতে এবার দলিল লেখকদের আদলে ‘এনলিস্টেড বা তালিকাভুক্ত সহায়তাকারী’ নিয়োগের চিন্তা করছে সরকার।

“পাসপোর্ট অফিসের বাইরে যারা সহায়তার নামে সাধারণ মানুষের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, তাদের এবার জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। সুনির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে তারা সেবা দেবেন।” > — সালাহউদ্দিন আহমেদ,

একনজরে নতুন পরিকল্পনার হাইলাইটস:

  • প্রকাশ্য সহায়তা: আর লুকিয়ে নয়, নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বরধারী সহায়তাকারীরা সরকার নির্ধারিত ফি-র বিনিময়ে আপনাকে সেবা দেবেন।
  • কঠোর জবাবদিহিতা: কোনো অসাধু কর্মচারী বা দালালের সাথে যোগসাজশ প্রমাণ হলেই বাতিল হবে লাইসেন্স, শুরু হবে আইনি ব্যবস্থা।
  • কর্মসংস্থান ও স্বচ্ছতা: এই পদ্ধতির মাধ্যমে একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে, অন্যদিকে পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে।
  • পাইলট প্রজেক্ট: প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে এই ব্যবস্থা চালু হবে। সফল হলে তা ছড়িয়ে পড়বে দেশের প্রতিটি কোণায়।

আপনার বিবেক কী বলে?

পাসপোর্ট অফিসের সেই চিরচেনা হয়রানি কি আসলেই চিরতরে মুছে যাবে? নাকি পুরনো দালালরাই নতুন ‘লাইসেন্স’ নিয়ে আবার আপনার পকেট কাটতে আসবে? বছরের পর বছর ধরে চলা এই অনিয়মের পাহাড় কি ভাঙা সম্ভব?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *