নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের কারিগরি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন অধ্যায় শুরু হলো। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনপ্রাপ্ত ১২টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের পর নতুন নামে পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সংশোধিত ও পরিবর্তিত নাম ব্যবহার করে এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রম পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বোর্ডের পরিদর্শক প্রকৌশলী বি এম ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও বোর্ডের বিভিন্ন শাখা ও কর্মকর্তাদের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। আদেশে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সংশোধিত নাম ব্যবহার করে অফিস আদেশ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। আদেশ অনুযায়ী, সরকারিকরণের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর নামের সঙ্গে ‘সরকারি’ শব্দটি যুক্ত হয়েছে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠান এখন থেকে নতুন নামে পরিচালিত হবে।
প্রধান কিছু পরিবর্তিত নামের তালিকা:
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা: বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় → পার্বতীপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়: → সরিষাবাড়ী সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, যশোরের ঝিকরগাছা এম এল হাই স্কুল: → ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাই স্কুল, ঝিনাইদহের মহেশপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশন, ঘাটাইল গণ-পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, কালিহাতি আর এস পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রামের বাঁশখালী বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়: → বাঁশখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার আলমডাংগা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়: → আলমডাংগা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঝালকাঠীর নলছিটি মার্চেন্টস মাধ্যমিক বিদ্যালয়: → সরকারি নলছিটি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: → বালিয়াকান্দি সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুরের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হাই স্কুল: → চন্দ্রা সরকারি হাই স্কুল
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশোধিত নাম ব্যবহারের পরও ভোকেশনাল কোড অপরিবর্তিত থাকবে, ফলে শিক্ষার্থীরা পুরনো কোড ব্যবহার করেই শিক্ষাক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। বোর্ডের এই উদ্যোগকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি সরকারি স্বীকৃতি ও মান নির্ধারণে সহায়ক এবং দেশের কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।