April 7, 2026, 3:11 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

ট্রাম্পের ‘সিক্সজি’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক, বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিভ্রান্তিকর

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও প্রযুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। বুধবার একটি অনুষ্ঠানে সরাসরি সম্প্রচারিত বক্তব্যে তিনি প্রশ্ন করেন— “সিক্সজি কি মানুষের ত্বকের ভেতর পর্যন্ত দেখায়?” তার এই মন্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়।

বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কার করে বলেন— সিক্সজি (6G) হলো মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির পরবর্তী প্রজন্ম। এটি কোনোভাবেই ভিডিও রেজুলেশন বা ইমেজ কোয়ালিটির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ভিডিওর মান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় ‘8K’, এটি ট্রাম্প যে ধারণা দিয়েছেন তার বিপরীত। অনেকে মন্তব্য করেন, প্রেসিডেন্ট আবারও মৌলিক প্রযুক্তিগত বিষয়ে ভুল বুঝেছেন।

ট্রাম্প অনুষ্ঠানে আরও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে ফাইভজি চালুর নেতৃত্ব তিনিই দিয়েছেন। এরপর তিনি আবার প্রশ্ন তুলেন— “সিক্সজি আসলে কী করে?” মজা করে আরও বলেন, “এটা কি কারও ত্বক আরও গভীরভাবে দেখাতে পারে?” এটাই প্রথম নয়। ২০১৯ সালেও তিনি বলেছিলেন, “যত দ্রুত সম্ভব আমি সিক্সজি চাই।” তখনও তার মন্তব্য নিয়ে প্রযুক্তি মহলে হাসাহাসি হয়েছিল। ট্রাম্প অতীতে আরও বহুবার ভুল বা বিভ্রান্তিকর প্রযুক্তিগত বক্তব্য দিয়েছেন— চাঁদকে মঙ্গলের অংশ বলে উল্লেখ, বিদেশি কোম্পানির শুল্ক নাকি আমেরিকানরা দেয় না—এ দাবি, “মেড ইন ইউএসএ” লেখা এমন ফোন বাজারে আনা, যা যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ছিল না।

নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক
ফাইভজি নেটওয়ার্ক নীতি নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসন সমালোচিত ছিল। টি–মোবাইল ও স্প্রিন্ট একীভবনের অনুমতি দেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত উন্নয়ন পাওয়া যায়নি।

তার মনোনীত এফসিসি কমিশনাররা নিট নিরপেক্ষতা (Net Neutrality) বাতিল করেন, যা অপারেটরদের হাতে আরও ক্ষমতা তুলে দেয়। সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তেও বিতর্ক বেড়েছে— ট্রাম্পের নিয়োগপ্রাপ্ত এফসিসি ব্রডব্যান্ডের ‘নিউট্রিশন লেবেল’ বাতিল করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা ভোক্তাদের লুকানো চার্জ ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন থেকে রক্ষা করত।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য দেখায় যে আধুনিক প্রযুক্তি—বিশেষ করে জি–নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি—সম্পর্কে তার বোধ এখনো অস্পষ্ট। এমন সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা তীব্র, তখন এমন ভুল তথ্য বিভ্রান্তি বাড়াতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *