May 22, 2026, 9:35 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

গুম-নির্যাতন মামলায় ১০ সেনা কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির

গুম-নির্যাতন মামলায় ১০ সেনা কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক :

টানা ক্ষমতাকালীন সময়ে টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ১০ কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সবুজ প্রিজন ভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

হাজির হওয়া ১০ কর্মকর্তা হলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরকালীন ছুটিতে), কর্নেল মো. মশিউর রহমান (সাবেক পরিচালক, র‍্যাব গোয়েন্দা শাখা), লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি ড. বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশিদ হোসেন এবং ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।

বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু করেন। প্রথমে প্রসিকিউশন, পরে আসামিপক্ষ এবং পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা বক্তব্য দেবেন।

হাইকোর্ট ও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় পুলিশ, সেনা, র‌্যাব, বিজিবি এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের কড়া টহল দেখা গেছে।

এর আগে ২৩ নভেম্বর একই মামলার শুনানির দিন নির্ধারণ করা হলে সেনানিবাসের বিশেষ কারাগারে থাকা কর্মকর্তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছিলেন। তাদের আইনজীবীরা ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন করলেও ট্রাইব্যুনাল মন্তব্য করে—“আইন সবার জন্য সমান।

পলাতক আসামি শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়ানোর আবেদন করেছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না। তবে পরে তিনি এ মামলায় না লড়ার ইঙ্গিত দেন।

গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা ১০ কর্মকর্তাকে প্রথমবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়েও পলাতক আসামিরা হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *