November 30, 2025, 10:59 pm
Headline :
খাগড়াছড়িতে জিয়া সৈনিক দলের দোয়া মাহফিল খুলনায় আদালত চত্বরে গুলিতে দুইজন নিহত পারস্য উপসাগরে লাখ লাখ লিটার জ্বালানি বোঝাই বিদেশি জাহাজ জব্দ করল ইরান ৩২ বলে বিধ্বংসী সেঞ্চুরি অভিষেকের, ছক্কায় নতুন রেকর্ড আমি আশ্বাসের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: জামায়াত আমির জি এম সুমনের উদ্যোগে সিদ্ধিরগঞ্জে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ বিপিএল নিলাম আজ: সব তথ্য এক নজরে আমি সমস্ত নিয়ম ভেঙেছি” – বললেন আমির খান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজিবাজার প্রশিক্ষণের পথ খুললো বিএএসএমের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে

পদ্মা অয়েলের ৫ ব্যাংকের আমানত ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি পিএলসির পাঁচটি ব্যাংকে রাখা স্থায়ী আমানত (এফডিআর) ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা এই ব্যাংকগুলোতে কোম্পানির মোট ১৯৩ কোটি ৪ লাখ টাকার আমানত রয়েছে, তবে নগদায়নের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন কোম্পানির নিরীক্ষকরা।

এফডিআর রাখা পাঁচটি ব্যাংক হলো—গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। প্রথম চারটি ব্যাংক বর্তমানে একীভূতকরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, আর ন্যাশনাল ব্যাংক উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে লোকসান গুনছে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত পদ্মা অয়েলের মোট আমানত রয়েছে ২৩টি ব্যাংকে ১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে উল্লিখিত পাঁচ ব্যাংকে রয়েছে—গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ৭৯ কোটি ৫৩ লাখ, ইউনিয়ন ব্যাংকে ৫৫ কোটি ৮৬ লাখ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ৩৫ কোটি ৫৮ লাখ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ১৬ কোটি ৩ লাখ এবং ন্যাশনাল ব্যাংকে ৬ কোটি ৫ লাখ টাকা। তারল্য সংকটের কারণ দেখিয়ে কোনো ব্যাংকই আমানত ফেরাতে সম্মত হয়নি।

নিরীক্ষকরা আরও জানান, ব্যাংকে রাখা আমানতের বিপরীতে ২২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার সুদ প্রাপ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত আদায় করা গেছে ১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। বকেয়া রয়েছে ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, যার জন্য চিঠি দিলেও ব্যাংকগুলো সাড়া দেয়নি।

এদিকে, আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) পদ্মা অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪ পয়সায়, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১২ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৯০ টাকা ৮৯ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। ওই বছর কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৫৭ টাকা ৩০ পয়সা। এর আগের বছরে (২০২৩–২৪) লভ্যাংশ ছিল ১৪০ শতাংশ এবং ইপিএস ৪১ টাকা ৫৯ পয়সা।

১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা অয়েলের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি এবং পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ১৭৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। মোট ৯ কোটি ৮২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫০ শেয়ারের মধ্যে সরকারের মালিকানা ৫০.৩৫ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা–পরিচালকদের হাতে রয়েছে ২.০৬ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি শেয়ার রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page