July 8, 2026, 3:47 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

ফরিদপুরে জমি নিয়ে বিরোধে হেলমেট পরে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

ফরিদপুরে জমি নিয়ে বিরোধে হেলমেট পরে ৪ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

স্টাফ রিপোর্টার,

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে অংশ নেওয়া গ্রামবাসীরা মাথায় হেলমেট পরে, হাতে ঢাল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের মুখোমুখি হন। সংঘর্ষের সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। এতে একাধিক বাড়িঘর ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর আগে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসায় শুক্রবার এক দফা সালিশ বসেছিল সাইমন মাতুব্বর ও কুদ্দুস মাতুব্বরের নেতৃত্বে, তবে সমাধান হয়নি। রোববার বিকেলে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে সিদ্ধান্তে একমত না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, কিন্তু প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়। পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তানসিভ যুবায়ের জানান, “এ পর্যন্ত ২০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।” গুরুতর আহত চারজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, সংঘর্ষে গ্রামবাসীরা বেপরোয়া হয়ে পড়েছিল। জেলা পুলিশের সহায়তায় এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *