আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ব্লেইদায় ইসরাইলি হামলায় এক পৌর কর্মচারী নিহত হওয়ার পর লেবাননের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জোসেফ আউন সেনাবাহিনীকে ইসরাইলি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইসরাইলি যুদ্ধবিমান সম্প্রতি লেবাননের দক্ষিণ সীমান্তে হামলা চালিয়ে ‘হিজবুল্লাহ-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো’ লক্ষ্যবস্তু করেছে। হামলায় নিহত হন ব্লেইদার পৌরকর্মী ইব্রাহিম সালামা। ঘটনার পর দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
লেবাননের সেনাবাহিনী এই হামলাকে “সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাবের অবমাননা” হিসেবে অভিহিত করেছে এবং জাতিসংঘকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবাননের সেনাবাহিনী সরাসরি ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালনার সামর্থ্য রাখে না। ৫০,০০০ সদস্যের এই বাহিনীর কাছে কোন যুদ্ধবিমান নেই, ৭০টির কম হেলিকপ্টার রয়েছে, এবং স্থল বাহিনীর ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যানগুলোর বেশিরভাগই পুরনো। তারা প্রধানত হালকা অস্ত্র ও অর্থের জন্য বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ইসরাইলি বিশ্লেষকরা মনে করেন, লেবাননের সেনাবাহিনী সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করতে পারবে না এবং বর্তমান নির্দেশ সম্ভবত কেবল রাজনৈতিক বার্তা ও সীমান্তে আগ্রাসন রোধের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়া ও যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যে লেবাননের নতুন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সূত্র: প্রেসটিভি