January 12, 2026, 2:44 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

খুলনায় নতুন কারাগার চালু, কয়েদিদের ফুল দিয়ে বরণ

খুলনায় নতুন কারাগার চালু, কয়েদিদের ফুল দিয়ে বরণ

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:

দীর্ঘ ১২–১৩ বছরের অপেক্ষার পর শনিবার (১ নভেম্বর) খুলনায় আধুনিক কারাগার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টায় তিনটি প্রিজন ভ্যানে করে প্রথম ১০০ কয়েদিকে নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। নতুন কারাগারে বন্দিদের স্বাগত জানানো হয় গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে।

খুলনা বিভাগীয় কারা অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মো. মনির আহমেদ বলেন, পুরাতন কারাগার থেকে ১০০ জন কয়েদিকে প্রথমে আনা হয়েছে। ক্রমান্বয়ে সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। মেট্রোপলিটন এলাকার বন্দিরা পুরাতন কারাগারে থাকবেন, আর নতুন কারাগারে বাইরের এলাকার বন্দিরা রাখা হবে। এখানে বন্দিরা খোলামেলা ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে থাকবে।

তিনি আরও জানান, নতুন কারাগারে হাসপাতাল, সমাজ সেবার অফিস, লাইব্রেরি, ডে কেয়ার সেন্টারসহ আত্মকর্মসংস্থানমূলক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, পুরাতন কারাগারের ধারণ ক্ষমতা ৬৭৮ জন, বর্তমানে সেখানে ১,৪৯৩ বন্দি থাকায় স্থান সংকুলান নেই। নতুন কারাগারের ধারণ ক্ষমতা ২ হাজার, প্রস্তাবিতভাবে আরও ২ হাজার, ফলে সর্বোচ্চ ৪ হাজার বন্দি রাখা যাবে। এখানে ৫৭টি স্থাপনা রয়েছে, যার মধ্যে ১১টি ভবন শুধু বন্দিদের জন্য। নারী ও পুরুষ বন্দিদের জন্য আলাদা ডিভিশন, চিকিৎসা ইউনিট ও রান্নার ব্যবস্থাও রয়েছে।

কারাগারটি ২০১১ সালে অনুমোদিত প্রকল্প হিসেবে নির্মাণ শুরু হয়। সময় ও ব্যয় দুইবার সংশোধনের পর মোট ব্যয় দাঁড়ায় ২৮৮ কোটি টাকা। রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন ৩০ একর জমিতে নির্মিত এই আধুনিক কমপ্লেক্সে রয়েছে পাকা রাস্তা, রঙিন ভবন, পার্কিং টাইলসের ফুটপাত, মসজিদ এবং দেশসেরা আধুনিক ফাঁসির মঞ্চ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাঙ্গণজুড়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে।

উপমহাপরিদর্শক মনির আহমেদ জানিয়েছেন, নতুন কারাগার চালুর পর সমস্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে বন্দিরা নিরাপদ ও সুবিধাজনক পরিবেশে থাকতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *