January 12, 2026, 12:18 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

গাজা গণহত্যায় ৬০-এর বেশি দেশের জড়িত থাকার অভিযোগ, জাতিসংঘে বিস্ফোরক প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করেছেন গাজা নিয়ে এক বিস্ফোরক প্রতিবেদন, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে পশ্চিমা শক্তি ও কিছু আরব দেশসহ ৬০-এর বেশি দেশ ইসরাইলের গণহত্যার যন্ত্র সচল রাখতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে।

‘Gaza Genocide: A Collective Crime’ শিরোনামের ২৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে আলবানিজ উল্লেখ করেছেন, গাজার দুই মিলিয়নের বেশি মানুষকে বোমা হামলা, অনাহার ও অবরোধের মাধ্যমে ধ্বংস করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশ ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ এবং কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে এই পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।

প্রতিবেদনে আরব দেশগুলোর ভূমিকারও সমালোচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে মিশরকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে, তারা ইসরাইলের সঙ্গে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সহযোগিতা বজায় রেখে রাফাহ সীমান্ত বন্ধ রেখেছে, যা গাজার শেষ মানবিক জীবনরেখাকেও চাপে ফেলেছে।

আলবানিজ সতর্ক করেছেন, “বিশ্ব এখন আইনের শাসনের পতন ও ন্যায়ের পুনর্জাগরণের মধ্যবর্তী এক ছুরির ধারালো প্রান্তে দাঁড়িয়ে। দায় স্বীকার ও ন্যায়বিচার ছাড়া পুনর্জাগরণ সম্ভব নয়।”

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ইসরাইলি দূত ড্যানি দানন তাকে ‘দুষ্ট ডাইনি’ বলে আক্রমণ করেন, যা মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা অশোভন ও লজ্জাজনক হিসেবে নিন্দা জানিয়েছেন।

এ প্রতিবেদনকে বিশেষজ্ঞরা গাজায় চলমান সংঘাতের বিষয়ে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রকাশিত সবচেয়ে কঠোর অভিযোগপত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত, যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *