May 23, 2026, 9:38 am
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

মুফতি মুহিব্বুল্লাহর অন্তর্ধান স্মরণ করালো, তিন বছর আগের মরিয়ম মান্নানের মায়ের ঘটনা

মুফতি মুহিব্বুল্লাহর অন্তর্ধান স্মরণ করালো তিন বছর আগের মরিয়ম মান্নানের মায়ের ঘটনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকার টিঅ্যান্ডটি বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে, তিনি নিজেই পঞ্চগড়ে গিয়েছিলেন, যা একটি অনিয়মিত এবং নাটকীয় প্রয়াস হিসেবে দেখা হয়েছে। মুফতি মুহিব্বুল্লাহ ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, “আমি হাঁটতে হাঁটতে কোথায় যাচ্ছি, তা জানতাম না। একপর্যায়ে আমি অটোতে উঠি, মীরের বাজারে নামি।

এরপর মনে হলো জয়দেবপুর যাই। সিএনজি নিয়ে জয়দেবপুর পৌঁছাই, পরে বাসে উঠি। শ্যামলী বা অন্য কোনো জায়গায় নামি, আবার এক বাসে চড়ে গাবতলী যাই। অবশেষে পঞ্চগড়ে রাতের বেলা পৌঁছাই। তবে আমি চলার সময় ঠিক কোন দিকে যাচ্ছিলাম, তা মনে নেই।”

এই নাটকীয় অন্তর্ধান অনেকের মনে করিয়ে দেয় তিন বছর আগের একটি ঘটনা, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। ২০২২ সালে মরিয়ম মান্নান জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার মা রহিমা বেগমকে আত্মগোপনে রাখেন এবং পরবর্তীতে অপহরণের নাটক সাজান।

তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নিখোঁজ হওয়ার রাতে মরিয়ম মান্নান মাকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। আরও জানা যায়, নিখোঁজের প্রায় ২০–২৫ দিন আগে রহিমা বেগম ঢাকায় গিয়ে কয়েক দিন মরিয়ম মান্নানের বাড়িতে ছিলেন। পরিকল্পনাটি দীর্ঘ সময় ধরে সাজানো হয়েছিল এবং মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রতিবেশীকে ফাঁসানো।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, এই ঘটনার আগেও রহিমা বেগম বহুবার কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন, তবে কয়েক দিনের মধ্যে আবার ফিরতেন। ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট, রাত সাড়ে ১০টার দিকে, খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে রহিমা বেগম নিখোঁজ হন।

মরিয়ম মান্নানের এই নাটকীয়তার কারণে সামাজিক মাধ্যমেও ব্যাপক ট্রোলিং ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। অনেকে মনে করেন, তার অতিনাটকীয় আচরণ এবং অপহরণের নকল ঘটনায় মানুষের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছিল।

সম্প্রতি মুফতি মুহিব্বুল্লাহর নিজস্ব অন্তর্ধান ও নাটকীয়তার ঘটনাও সামাজিক মাধ্যমে মানুষকে তিন বছর আগের এই ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন নাটকীয়তা শুধু ব্যক্তিগত নয়, সমাজেও অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে এবং সামাজিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়।

মুফতি মুহিব্বুল্লাহর হঠাৎ অন্তর্ধান এবং মরিয়ম মান্নানের অতীত ঘটনা মিলিয়ে দেখালে, দেখা যায় মানুষের আচরণ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে একটি অসাধারণ সম্পর্ক। দুই ঘটনাই প্রমাণ করে, কখনও কখনও ব্যক্তিগত নাটকীয়তা সমাজে বিস্ময় ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *