January 12, 2026, 12:18 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানি বাড়াল, রাশিয়া থেকে সম্পূর্ণ না থেমেও বৈচিত্র্য নিশ্চিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপরিশোধিত তেলের আমদানি সম্প্রতি ভারতের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২২ সালের পর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং মার্কিন তেলের তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্য।

রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতকে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকি এবং মার্কিন তেলের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ভারত সম্প্রতি আমেরিকান তেলের ক্রয় বাড়িয়েছে।

এনার্জি কনসালটিং প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতের দৈনিক আমেরিকান তেল আমদানি ছিল ৫.৪ লক্ষ ব্যারেল। মাসশেষে এটি ৫.৭৫ লক্ষ ব্যারেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। নভেম্বরের বুকিং অনুমান করা হচ্ছে দৈনিক ৪–৪.৫ লক্ষ ব্যারেলের মধ্যে।

কেপলারের প্রধান গবেষক সুমিত রিতোলিয়া জানিয়েছেন, মূলত অর্থনৈতিক কারণেই মার্কিন তেলের আমদানি বেড়েছে। ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যবধান বৃদ্ধি, মার্কিন তেলের তুলনামূলক কম দাম এবং চীনের চাহিদা কমার কারণে ভারতীয় শোধনাগারগুলো মার্কিন তেল কিনতে আগ্রহী হচ্ছে।

তবে, রাশিয়া থেকে তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। রাশিয়া এখনও ভারতের প্রধান তেল সরবরাহকারী, যা মোট আমদানি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানিকারক ইরাক, এরপর সৌদি আরব।

ভারতের তেল শোধনাগারগুলো সম্প্রতি US Midland WTIMars grade তেলের ক্রয় বৃদ্ধি করেছে। এর উদ্দেশ্য সরবরাহের উৎস বহুমুখী করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তা দেওয়া।

বিশেষ করে, রাশিয়ার রোসনেফ্ট ও লুকঅয়েল কোম্পানির ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ভারত এখনও এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তেল কিনছে, যা এ পরিবর্তনের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *