January 12, 2026, 12:18 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

তিন দিনের বৈঠকেও সীমান্ত সন্ত্রাস নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছায়নি আফগানিস্তান-পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় তিন দিনের দীর্ঘ বৈঠক শেষ হলেও আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাস দমন নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন জানিয়েছে, আলোচনার পরে মূল বিষয়গুলো এখনও মীমাংসা হয়নি।

বৈঠকের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, অধিকাংশ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা থাকলেও আফগান ভূখণ্ড থেকে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণই প্রধান বাধা। পাকিস্তানের এক কূটনীতিক বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম শিগগিরই আফগানিস্তানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে এবং যৌথ বিবৃতি দেওয়া হবে, কিন্তু সেটি এখনো অধরাই।”

প্রথম দিনে বৈঠকের পরিবেশ ইতিবাচক ছিল, তবে দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশাবাদ কমতে থাকে। এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, “সন্ধ্যার দিকে বৈঠক স্থবির হয়ে যায় এবং রাতেও কোনো নতুন গতি দেখা যায়নি।”

রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আফগান তালেবান এখনো লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে অনিচ্ছুক। বিশেষ করে পাকিস্তানবিরোধী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সমর্থন বন্ধের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত পদক্ষেপ নেই। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—টিটিপির সমর্থন বন্ধ করতে হবে এবং আফগান ভূখণ্ড পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা যাবে না।”

বৈঠকে অংশ নেওয়া কূটনীতিকরা জানান, “যদিও বহিরাগত প্রভাব রয়েছে, পাকিস্তান ও মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনাকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করছে।” তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা বৈঠকের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন এবং আলোচনার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন।

তবে সব চেষ্টা সত্ত্বেও সীমান্তে সন্ত্রাস দমন নিয়ে দুই দেশের চূড়ান্ত সমঝোতা এখনো অধরা। ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনার সময় আরও এক দিন বৃদ্ধি করা হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *