May 23, 2026, 1:47 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

“হাসিনার বিচার না হলে জুলাই শহীদদের ওপর অবিচার হবে” — অ্যাটর্নি জেনারেলের সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই গণহত্যায় জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা ও অন্য দুই আসামির বিচার না হলে সেই সময়ে শহীদ ও আহতদের ওপর «অবিচার» পর্যন্ত হতে পারে। তিনি এই মন্তব্য করেন মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) প্রসিকিউশনের সর্বশেষ যুক্তিতর্কপেশের সময়।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তিনি বিশ্বাস করেছিলেন শেখ হাসিনা ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন — কারণ আগে তিনি অন্যদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন “সাহস থাকলে বিচারের মুখোমুখি হন” — কিন্তু সেই কথাগুলো মন থেকে হয়নি; না হলে তিনি দেশে এসে বিচারের সম্মুখীন হতেন।

তিনি আরও বলেন, “এই আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে বাংলাদেশের আরও অগণিত মানুষের জীবন বিপন্ন হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে আমাদের ইতিহাস ও জাতি ভীরু-কাপুরুষের মতো রয়ে যাবে।” তিনি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তিই প্রত্যাশা করার কথা জানান।

প্রসিকিউশনের তর্ক উপস্থাপনের পর ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং দুই পক্ষই যেকোনো মূল্যে ন্যায়বিচার পাবে। বর্তমানে প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও দুই আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ দিন যুক্তিতর্ক তুলে ধরছে; পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের জন্য দিন ধার্য করবেন।

পটভূমি: মামলাটিতে আগে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার, আহত ও চিকিৎসকসহ মোট ৫৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্যসূত্রে উঠে এসেছে — জুলাই গণহত্যা, নৃশংসতা ও আওয়ামী লীগের আমলে গুম-খুনসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের আলামত। এছাড়া রাজসাক্ষী হিসেবে 당시 পুলিশের আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনও সাক্ষ্য দিয়েছেন; তিনি তখনকার ঘটনার পটভূমি, নির্দেশদাতা ও বাস্তবায়কদের নাম উন্মোচন করেছেন। প্রসিকিউশন দাবি করেছে যে এখন পর্যন্ত প্রদত্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণ পৃথিবীর যেকোনো আদালতে অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *