January 12, 2026, 6:48 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

চীনের প্রভাব কমাতে বিরল খনিজে ৮.৫ বিলিয়ন ডলারের যৌথ বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বব্যাপী চীনের বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ন্ত্রণ হ্রাসে কৌশলগত জোট গড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। খনিজ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নির্ভরতা কমাতে দেশ দুটি যৌথভাবে প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে। বিবিসি জানায়, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ঘোষিত এই চুক্তির আওতায় আগামী ছয় মাসে উভয় দেশ মিলে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে নতুন প্রকল্পে। চুক্তিটি চীনের ওপর খনিজ নির্ভরতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইনে ভারসাম্য আনার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‘নতুন উচ্চতায়’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক:
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ চুক্তিকে “দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের নতুন উচ্চতা” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার খনি খাত ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

ট্রাম্পের মন্তব্য ও অকাস চুক্তি:
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে গঠিত ‘অকাস’ সাবমেরিন চুক্তি পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তিটি “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা পর্যালোচনার কথা জানিয়েছিল। প্রাথমিক সন্দেহ থাকলেও ট্রাম্প পরে স্পষ্ট করেন, অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাবমেরিন পাবে।

কেন এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ বিরল খনিজ আহরণ এবং ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ করে চীন। এই খনিজগুলো প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, সেমিকন্ডাক্টর, গাড়ি নির্মাণ ও ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরিতে অপরিহার্য। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া উভয়েই চীনের ওপর এ খাতে নির্ভরশীল—বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে। ফলে, বাণিজ্যিক উত্তেজনা বা নতুন শুল্কনীতির কারণে চীনা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর ঝুঁকি বাড়ে। এই প্রেক্ষাপটে, চুক্তিটি শুধু অর্থনৈতিক নয়—ভূরাজনৈতিক ও নিরাপত্তা দৃষ্টিকোণ থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *