April 7, 2026, 4:53 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

চীনের প্রভাব কমাতে বিরল খনিজে ৮.৫ বিলিয়ন ডলারের যৌথ বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বব্যাপী চীনের বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ন্ত্রণ হ্রাসে কৌশলগত জোট গড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। খনিজ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নির্ভরতা কমাতে দেশ দুটি যৌথভাবে প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে। বিবিসি জানায়, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) ঘোষিত এই চুক্তির আওতায় আগামী ছয় মাসে উভয় দেশ মিলে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে নতুন প্রকল্পে। চুক্তিটি চীনের ওপর খনিজ নির্ভরতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক সরবরাহ চেইনে ভারসাম্য আনার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‘নতুন উচ্চতায়’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক:
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ চুক্তিকে “দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের নতুন উচ্চতা” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার খনি খাত ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

ট্রাম্পের মন্তব্য ও অকাস চুক্তি:
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে গঠিত ‘অকাস’ সাবমেরিন চুক্তি পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তিটি “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা পর্যালোচনার কথা জানিয়েছিল। প্রাথমিক সন্দেহ থাকলেও ট্রাম্প পরে স্পষ্ট করেন, অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাবমেরিন পাবে।

কেন এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ বিরল খনিজ আহরণ এবং ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ করে চীন। এই খনিজগুলো প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, সেমিকন্ডাক্টর, গাড়ি নির্মাণ ও ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরিতে অপরিহার্য। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া উভয়েই চীনের ওপর এ খাতে নির্ভরশীল—বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে। ফলে, বাণিজ্যিক উত্তেজনা বা নতুন শুল্কনীতির কারণে চীনা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর ঝুঁকি বাড়ে। এই প্রেক্ষাপটে, চুক্তিটি শুধু অর্থনৈতিক নয়—ভূরাজনৈতিক ও নিরাপত্তা দৃষ্টিকোণ থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *