May 22, 2026, 10:51 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

বিজয় থালাপতির বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ

 বিনোদন ডেস্ক :

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিক বিজয় থালাপতির বাড়ি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে চেন্নাই পুলিশ। তামিলনাডুর নীলঙ্করাই এলাকার ওই বাড়ির চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি সাদা পোশাকের কর্মকর্তারাও টহল দিচ্ছেন সেখানে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চেন্নাই পুলিশ সদর দপ্তরে ফোন করে এক ব্যক্তি হুমকি দেন—বিজয় যদি ভবিষ্যতে আবার জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে। ফোনটি আসে কন্যাকুমারী জেলা থেকে। এরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে বিজয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায়, যদিও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, হুমকিদাতার অবস্থান শনাক্ত করার কাজ চলছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, ফোনটি ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল হতে পারে।

এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক এক বড় দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)-এর কারুরে আয়োজিত সমাবেশে পদপিষ্ট হয়ে ৪১ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। ঘটনাটির পর থেকেই বিজয় ও তার দল ব্যাপক সমালোচনার মুখে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজয় সেদিন সমাবেশস্থলে প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছান। দুপুর থেকেই হাজার হাজার মানুষ জমা হতে থাকেন। আয়োজকদের দাবি, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষের জায়গা ছিল, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভিড় করেন। নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি, ছিল না পর্যাপ্ত পানি, খাবার বা চিকিৎসা সেবা। ফলে ভিড়ের চাপে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন, অ্যাম্বুলেন্সও ভেতরে ঢুকতে পারেনি।

দুর্ঘটনার পর বিজয় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। টিভিকে নেতারা অবশ্য দাবি করছেন, ‘আমরা এর আগে বহু বড় সমাবেশ আয়োজন করেছি, কখনও এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি।’

এই পরিস্থিতিতেই তার বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে তামিলনাডু জুড়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *