April 7, 2026, 4:51 pm
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

হিলিতে গ্রামীণ সড়কে এলজিইডি’র অর্থায়নে নিম্নমানের কাজ! হাত দিয়ে তোলা যাচ্ছে কার্পেটিং

হিলিতে গ্রামীণ সড়কে এলজিইডি’র অর্থায়নে নিম্নমানের কাজ! হাত দিয়ে তোলা যাচ্ছে কার্পেটিং

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কে এলজিইডি’র অর্থায়নে চলমান সড়ক নির্মাণকাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সদ্য কার্পেটিং করা রাস্তাগুলোতে হাত দিয়েই কার্পেটিং উঠিয়ে ফেলা যাচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হলে এ সড়কের কী অবস্থা হবে?

শনিবার দুপুরে উপজেলার বোয়ালদার ইউনিয়নের লোহাচড়া ও সরঞ্জাগাড়ি গ্রামের একাধিক সড়ক ঘুরে দেখা যায়, নতুন কার্পেটিং করা অংশে ফাটল ধরেছে এবং জায়গায় জায়গায় উঠে যাচ্ছে পিচ। স্থানীয়রা বলছেন, কাজের মান এতই খারাপ যে শীতের আগেই সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে।

সরঞ্জাগাড়ি গ্রামের ফরিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “সরকারি নিয়মকানুন মানা হয়নি। মাত্র ২-৩ দিনের মধ্যেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। জনগণের কষ্টার্জিত টাকার উন্নয়ন প্রকল্প এভাবে নষ্ট হলে আমরা সুফল পাব কীভাবে?”

স্থানীয় কৃষক আবু তাহের জানান, তারা এই রাস্তা দিয়ে ধান-চাল বাজারে নিয়ে যান। কিন্তু রাস্তার ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে গাড়ি নিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কলেজ শিক্ষার্থী খাইরুল ইসলাম বলেন, “আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু যদি সেটা টেকসই না হয় তবে টাকা অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়।”

গ্রামের চা বিক্রেতা আক্কাস বলেন, প্রথমে ভেবেছিলেন রাস্তা ভালো হলে কষ্ট কমবে, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এ কাজ শুধু টাকা নষ্ট করা। হাজেরা বেগম নামে আরেক গ্রামবাসী জানান, বাচ্চারা এই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যায়। কার্পেটিং উঠে গিয়ে রাস্তায় পানি জমায় বৃষ্টির সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

এ বিষয়ে হাকিমপুর এলজিইডি কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাদের হোসেন বলেন, “বৃষ্টির কারণে কিছু জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। সমস্যাযুক্ত অংশে পুনরায় কাজ করা হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার ও কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশেই নিম্নমানের এ কাজ করা হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *