May 22, 2026, 10:11 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

মাদক উদ্ধারে পুরস্কার পাওয়া এসআই এবার মাদক পাচারের অভিযোগে প্রত্যাহার

মাদক উদ্ধারে পুরস্কার পাওয়া এসআই এবার মাদক পাচারের অভিযোগে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাদক পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত উপ–পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল আলম খান।

তিনি জানান, এসআই কামালের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারগামী একটি প্রাইভেটকার থেকে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তিনজনকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। আটকরা হলেন—রমিজ উদ্দিন (৩৫), নাজিম উদ্দিন (৪৫) ও তাজুল ইসলাম (৪৯)।

আটকদের একজন রমিজ উদ্দিন দাবি করেন, তারা সবাই এসআই কামালের সোর্স। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জব্দকৃত ফেনসিডিল এসআই কামালই সরবরাহ করেছিলেন এবং পার্বত্য লামার আজিজ নগরে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, মাদক বহনের সময় এসআই কামাল আরেকটি গাড়িতে ছিলেন এবং সোর্সদের গাড়ি আটক হওয়ার পর পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে যে লোহাগাড়া থানার কিছু পুলিশ সদস্য মাদক উদ্ধার দেখালেও তা আদালতে জমা না দিয়ে পাচারের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনার আগের দিনও এলাকাবাসীর কাছে এসআই কামালের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য আসে। এরপর শিক্ষার্থীরা নজরদারি চালিয়ে সোর্সদের হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন।

উল্লেখ্য, এসআই কামাল হোসেন চলতি বছরের ২২ এপ্রিল চট্টগ্রামের শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে জেলা পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *