January 12, 2026, 2:32 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

মেট্রোরেলে যাত্রী সেবা বন্ধ: শুক্রবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি ও সব ধরনের যাত্রী সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। এই কর্মসূচি পূর্বঘোষিত আল্টিমেটামের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিদিন ডিএমটিসিএল প্রধান কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিও চলবে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিএমটিসিএল-এ এখনো ৯০০-এর বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা চূড়ান্ত হয়নি। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার পরও উন্মুক্ত নিয়োগে যোগ দেওয়া এসব কর্মচারী ছুটি, সিপিএফ, গ্র্যাচুইটি, শিফট-অ্যালাউন্স, ওভারটাইম ও গ্রুপ ইনস্যুরেন্সের মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তারা আরও জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা কমিটি ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে সার্ভিস রুল প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি কর্মচারীরা আন্দোলনে নামলে কর্তৃপক্ষ ২০ মার্চের মধ্যে রুল চূড়ান্তের আশ্বাস দেন। তবে আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।

ডিএমটিসিএল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, “প্রতিবাদমূলক ‘বিশেষ বিধান’ মেট্রোরেল প্রকল্পের জনবলকে ডিএমটিসিএলে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয় জড়িত। এটি বাংলাদেশি আইন ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পরিচালনা পর্ষদ বিতর্কিত বিধানটি বাদ দিতে আগ্রহী হলেও কর্তৃপক্ষের চাপের কারণে সার্ভিস রুল প্রকাশ বিলম্বিত হচ্ছে।”

কর্মচারীরা বলছেন, “যাত্রী সেবা বন্ধে যে ভোগান্তি হবে, তার দায় পুরোপুরি ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষের। আমরা বাধ্য হয়েই এই কর্মসূচি চালাচ্ছি। চাকরি-বিধিমালা ছাড়া আমাদের ক্যারিয়ার, বেতন-সুবিধা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত নয়।”।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *