May 23, 2026, 5:19 am
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার পর গৃহকর্মী স্কুল ড্রেস পরে পালাল

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। বাসার গৃহকর্মী আয়েশা (২৩) মা মালাইলা আফরোজ (৪৮) এবং তার কন্যা নাফিসা বিনতে আজিজ (১৫)-কে হত্যা করার পর বাথরুমে গোসল করে নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বাইরে বেরিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনা ঘটেছে সাত তলা বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের সপ্তম তলায়। নিহত নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা আজিজুল ইসলাম পেশায় শিক্ষক।

সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে আয়েশা। পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ নিয়ে মুখে মাস্ক লাগিয়ে বাইরে চলে যায়।

নাফিসার বাবা বলেন, চার দিন আগে গৃহকর্মী হিসেবে আনা হয় আয়েশাকে। সে গ্রামের রংপুরের, বাবা-মা আগুনে মারা গিয়েছে এবং চাচা-চাচির সঙ্গে জেনেভা ক্যাম্পে থাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, মাকে হত্যার পর আয়েশা সম্ভবত ইন্টারকম ব্যবহার করে নিরাপত্তার সহায়তা চেয়েছিল, কিন্তু লাইন খোলা না থাকার কারণে তা করতে পারেনি। এরপর বাথরুমে গোসল করে সমস্ত রক্ত ধুয়ে ফেলে। পরে সুইচ গিয়ার ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে এ দুটি ছুরি দিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে বাসার দারোয়ান মালেককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে ধস্তাধস্তির চিহ্ন, দেওয়াল ও মেঝেতে রক্তের দাগ এবং আলমারি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান বলেন, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সকল প্রমাণ সংগ্রহ ও যাচাই করা হচ্ছে। সিসি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *