January 11, 2026, 3:34 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

১৬ মাসে খুলনায় ৪৮ খুন, নভেম্বরেই ৭: আতঙ্কে নগরবাসী

১৬ মাসে খুলনায় ৪৮ খুন, নভেম্বরেই ৭: আতঙ্কে নগরবাসী

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক :

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর গত ১৬ মাসে খুলনায় ঘটে গেছে ৪৮টি হত্যাকাণ্ড। সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। শুধু নভেম্বর মাসেই ৭ জনকে হত্যা করা হয়েছে। ধারাবাহিক এই হত্যাযজ্ঞে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছে খুলনার সাধারণ মানুষ।

সম্প্রতি আদালত চত্বরে দিনের আলোয় খুনের ঘটনা নগরবাসীর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী,
১৬ নভেম্বর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে একই পরিবারের তিনজন- নানি মহিতুন্নেসা (৫৫), নাতি মুস্তাকিম (৮) ও নাতনি ফাতিহা (৬) কে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। একই দিন রাতে করিমনগরে আলাউদ্দিন মৃধা নামের এক যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

২৭ নভেম্বর খালিশপুরে ছুরিকাঘাতে নিহত হন যুবক ইমান। পরদিন ৩০ নভেম্বর আদালত এলাকায় ঘটে আরও দুটি হত্যাকাণ্ড।

দফায় দফায় খুনের প্রতিবাদে খুলনা মহানগর বিএনপি প্রতিটি ওয়ার্ডে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। এ ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে আইন অধিকার বাস্তবায়ন ফোরাম গত শনিবার মানববন্ধন আয়োজন করে। কিন্তু মানববন্ধনের পরদিনই সংঘটিত হয় আরও দুইটি নৃশংস খুন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে খুলনা পরিণত হয়েছিল চরমপন্থীদের অভয়ারণ্যে। বোমা হামলা, গুলি করে হত্যা- এসব ছিল নিয়মিত ঘটনা। ওই সময় বহু সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ চরমপন্থীদের হাতে প্রাণ হারান।
র‌্যাব গঠন ও যৌথবাহিনীর অপারেশন ক্লিনহার্ট ও অপারেশন স্পাইডার ওয়েব–এর মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বর্তমান অবস্থায় আবারও বিশেষ অভিযানের দাবি তুলছেন নাগরিক নেতারা।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, বেশিরভাগ হত্যার কারণ উদ্ঘাটন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আদালত চত্বরে সংঘটিত হত্যার সঙ্গে জড়িতদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *