April 7, 2026, 1:37 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

মেজর সিনহাকে হত্যা: পাজরে পা দিয়ে চাপ দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ

মেজর সিনহাকে হত্যা: পাজরে পা দিয়ে চাপ দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ জেডটিভি বাংলা ডেস্ক: মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসই ছিলেন এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও মাস্টারমাইন্ড। রায়ে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিনহার বাম পাজরে জুতা পরা পা দিয়ে জোরে চাপ দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন প্রদীপ। রোববার (২৩ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৭৮ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বরখাস্তকৃত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) লিয়াকত আলী সরকারি পিস্তল দিয়ে টানা চারটি গুলি ছুড়েছিলেন, যেগুলো মেজর সিনহার শরীরের ওপরের অংশে লাগে। এর আগে হাইকোর্ট ট্রায়াল কোর্টের রায় বহাল রেখে ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার আরও ছয়জনের যাবজ্জীবন সাজাও বহাল রাখা হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই মামলার রায় দেয়। আদালত তখন ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স, আপিল এবং ট্রায়াল কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জের শুনানি শেষে গত ২ জুন হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। ২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে এ মামলা দায়ের করা হয়।

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:

মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসই ছিলেন এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও মাস্টারমাইন্ড। রায়ে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিনহার বাম পাজরে জুতা পরা পা দিয়ে জোরে চাপ দিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন প্রদীপ।

রোববার (২৩ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৭৮ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বরখাস্তকৃত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) লিয়াকত আলী সরকারি পিস্তল দিয়ে টানা চারটি গুলি ছুড়েছিলেন, যেগুলো মেজর সিনহার শরীরের ওপরের অংশে লাগে।

এর আগে হাইকোর্ট ট্রায়াল কোর্টের রায় বহাল রেখে ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার আরও ছয়জনের যাবজ্জীবন সাজাও বহাল রাখা হয়েছে।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এই মামলার রায় দেয়। আদালত তখন ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স, আপিল এবং ট্রায়াল কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জের শুনানি শেষে গত ২ জুন হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা। ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে এ মামলা দায়ের করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *