April 7, 2026, 6:49 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

দেখে না ছেলে, খেতে দেয় অন্য কেউ, মৃত্যুর অপেক্ষায় যুবরাজের বাবা

স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য প্রায়ই শিরোনাম কাড়তেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও যুবরাজ সিংয়ের বাবা যোগরাজ সিং। তবে এবার তিনি সংবাদমাধ্যমে এলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে—নিজের নিঃসঙ্গতা ও অসহায়তার কথা জানাতে। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে যোগরাজ জানান, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি প্রায় একা। পরিবারের কেউ তার খোঁজ রাখেন না; পরিচিত নয় এমন লোকেরা খাবার দিয়ে যান। নিজের ভাগ্য মেনে নিয়েই এখন মৃত্যুর অপেক্ষায় দিন কাটছে তার।

যোগরাজ বলেন, “আমি আমার মা, সন্তানেরা, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনিদের ভালোবাসি। কিন্তু কখনোই কারো কাছে কিছু চাই না। আমার জীবন সম্পূর্ণ। ঈশ্বর যখন চাইবেন, আমাকে ডেকে নেবেন। আমি প্রস্তুত।” প্রথম স্ত্রী শবনমের সঙ্গে যোগরাজের সংসারে দুই ছেলে—যুবরাজ সিং ও জোরাভর। বাবা-মায়ের দ্বন্দ্ব নিয়ে যুবরাজ আগেও বলেছেন, তাদের ঝগড়ার কারণে তিনি বিচ্ছেদ চেয়েছিলেন—শেষ পর্যন্ত সেটাই ঘটে। পরে যোগরাজ বিয়ে করেন নীনা বুন্দেলকে; এই দাম্পত্যে ছেলে ভিক্টর ও মেয়ে আমনজ্যোৎ জন্ম নেয়।

তবু শবনম ও সন্তানদের বিচ্ছেদকে জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাত হিসেবে মনে করেন যোগরাজ। তাঁর ভাষায়,
“যুবরাজ আর তার মায়ের চলে যাওয়া আমার জীবনের বড় ধাক্কা। যাদের জন্য জীবন দিলাম, তারাই চলে গেল! ঈশ্বরকে প্রশ্ন করেছি—কী এমন ভুল করেছি? কিছু ভুল করেছি নিশ্চয়ই, কিন্তু কারোর ক্ষতি কখনো করিনি।” নিজের বর্তমান দিনযাপন নিয়ে যোগরাজ বলেন, “প্রতিদিন বিকেলে একা বসে থাকি। বাড়িতে কেউ থাকে না। অচেনা কেউ খাবার দিয়ে যায়। রাঁধুনি রান্না করে নিজের মতো চলে যায়। আমি কাউকে নিয়ে চিন্তা করি না; ক্ষুধা লাগলে কেউ না কেউ এনে দেয়।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *