January 12, 2026, 10:49 pm
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

পুলিশের নতুন পোশাক নিয়ে কী বলছেন নেটিজেনরা?

পুলিশের নতুন পোশাক নিয়ে কী বলছেন নেটিজেনরা?

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ পুলিশের মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটে যোগ হয়েছে নতুন লৌহবর্ণের পোশাক। শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে ডিএমপিসহ দেশের সব মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা এই নতুন ইউনিফর্ম পরিধান করেন। জেলা পর্যায়ে এখনো পোশাক পৌঁছায়নি, তবে ধাপে ধাপে সেখানেও পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশের মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটে যোগ হয়েছে নতুন লৌহবর্ণের পোশাক। নতুন পোশাক পরিধান করে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। এর মাধ্যমে মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের জন্য নতুন লৌহবর্ণের পোশাকের সূচনা হলো। তবে পুলিশের এই পোশাক নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেন ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টরা। কেউ বলছেন আগের পোশাকই ভালো ছিল, আবার কেউ বলছেন, নতুন পোশাকের ডিজাইন হয়েছে অসাধারণ। কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, পোশাক বদলালেই কী চাঙ্গা হবে পুলিশের মনোভাব?

শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশসহ (ডিএমপি) দেশের সব মহানগর পুলিশ ও বিশেষায়িত ইউনিটের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন পোশাক পরিধান করেছেন। তবে জেলা পর্যায়ের পুলিশ ইউনিট এখনো নতুন পোশাক পায়নি। তবে তারাও পর্যায়ক্রমে নতুন পোশাক পাবেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নতুন পোশাক পরিধান করে অনেক পুলিশ সদস্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড করেছেন। অনেক নেটিজেনরাও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ছবি তুলে আপলোড করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।

কথা সাহিত্যিক ও পুলিশ সুপার রহমান শেলী (মিজানুর রহমান) নতুন পোশাকে ছবি তুলে ফেসবুকে একটি ছবি আপলোড করেছেন। সেখানে ওয়াহিদ খান নামের একজন লিখেছেন, ‘নতুন পোশাক দিয়ে কি পুলিশের মনোবল চাঙ্গা করা যাবে? পুলিশ ও মানুষ কারো বাবা কারো ভাই, তাদেরও দেশের সকল নাগরিকের মতো অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এবং অবশ্যই পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করা লাগবে সেটা করা সম্ভব না হলে ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধি করে তাদের চলার মতো ব্যবস্থা করে দিতে হবে। তাহলে আশা করি পুলিশ মানুষের সেবক হতে পারবে। আর এটা তো ইন্ডিয়ান পুলিশের পোশাক এর কালারের কাছাকাছি হলো।’

আবুল কাশেম নামে নামের একজন পুলিশ সদস্য লিখেছেন, ‘স্যার পোশাকটাতে কি যেন কমতি থেকেই গেল, আগেরটা বেস্ট ছিল।’

শাহীন মোহাম্মদ ফয়সাল নামের একজন লিখেছেন, ‘বন্ধু আগেরটা থেকে এই ড্রেসটি অনেক উন্নত মানের। আমার কাছে পছন্দ হয়েছে, ভালো লাগছে দেখতে।’

আখতার খান নামের একজন লেখেন— কালার আরও ভালো হতে পারত। কিন্তু আমার পছন্দ হয়েছে। পছন্দ হয়েছে কারণ আমার প্রত্যাশা হচ্ছে, তবে আশা করছি পুরনো পোশাকের সঙ্গে পুরনো অভ্যাস, ধ্যানধারণাও বদলাবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব, আর জনগণকেও তাদের আচরণ বদলাতে হবে। পুলিশকে যেমন বদলাতে হবে, ঠিক তেমনি জনগণকেও তাদের পুরনো অভ্যাস বদলাতে হবে। মনে রাখতে হবে, দিন শেষে আমাদের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু পুলিশেরই। আমরা সবাই যদি নিজ নিজ খারাপগুলো ত্যাগ করতে পারি, নিশ্চয়ই সুদিন আসবেই ইনশাআল্লাহ। তোমার জন্য, তোমাদের জন্য দোয়া রইলো।

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য ফেসবুকে পুলিশের জন্য একটি পোশাক প্রস্তাব করে লিখেছেন, ‘পুলিশের নতুন পোশাক যাচ্ছেতাই হইছে। আমাদের আমলারা একেবারেই যে বুদ্ধিহীন এই পোশাক তার প্রমাণ। এদের না আছে বাহিনীর প্রতি ভালোবাসা, দরদ না আছে চিন্তার ক্ষমতা। খাকি বা নীল পোশাকে ঘাম আর ধুলা দেখা যায়। পুলিশের পোশাক এমন হইতে হবে যা একইসাথে আরামদায়ক, পরিচ্ছন্ন ও সাইকোলজিক্যাল ইম্প্যাক্ট তৈরি করতে পারে।’

তিনি লেখেন, ‘আমার মতে টিল কালার সবচেয়ে ভালো হবে বাংলাদেশের জন্য। ঘাম, ধুলার দাগ দেখা যায় না, তাপ শোষণ করে কম। আমাদের স্কিন টোনের সাথে ভালো কন্ট্র‍্যাস্ট তৈরি করে, শরীরের আউটলাইন ভালো দেখা যায়। স্মার্ট, পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন লুক দেয়, ক্যামেরা ফ্রেন্ডলি, রংটা ক্যামেরায় খুব স্পষ্ট আসে। খুব উজ্জ্বল রঙ পুলিশে মানায় না, খুব গাঁঢ় কালো দেখলে অনেকের চোখে ভীতিকর লাগে। টিল রঙ—দুই দিকের মাঝামাঝি। অথরিটির ভাব আনে আবার জনবান্ধব মনে হয়।’

তিনি আরও লেখেন, ‘রঙ মানুষের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। এই কারণেই টিল রঙ এর এই পোশাকে পুলিশকে বিশ্বাসযোগ্য, পেশাদার, দক্ষ আর জনবান্ধব বলে মনে হতো। আমারে জিগাইতেন। কইয়া দিতাম। বিনা পয়সায়। আর কিছু না পারি দুনিয়া সেরা লাইফস্টাইল ব্র‍্যান্ড নিয়া তো কাজ করি। খুব বেশী বাঙ্গুর তো এই অভিজ্ঞতা নাই। আছে কি?’

নূরে আলম নামের একজন লেখেন, পুলিশের পোশাক কালার চেঞ্জ করলে হবে না করতে হবে যেটা সেটা হলো কোন পকেট থাকতে পারবে না।

রেজওয়ান হোসাইন মন্তব্য করেন— ইউরোপের কোনো দেশের পুলিশের মতো লাগছে।”

অন্যদিকে জহিরুল ইসলাম আকাশ জানান— পুরনো পোশাকটাই সেরা ছিল, পরিবর্তনের প্রয়োজনই ছিল না।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *