May 23, 2026, 11:27 am
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

শয়তানের নিঃশ্বাস’ ছোড়েন তিনি!, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অচেতন করে লুট

শয়তানের নিঃশ্বাস’ ছোড়েন তিনি!, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অচেতন করে লুট, তানিয়া গ্রেপ্তার

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:

চল্লিশ বছর বয়সী এই নারীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে রয়েছে ৪০টি মামলা। রাজধানীতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগে আবারও গ্রেপ্তার হলেন তানিয়া। পুলিশের ভাষ্যমতে, ‘শয়তানের নিশ্বাস’ নামে পরিচিত স্কোপোলামিন ব্যবহার করেই দীর্ঘদিন ধরে লুটের এসব কাজ করেন তিনি।

জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর রূপনগরের বর্ধিত পল্লীতে এ ঘটনা ঘটে। শয়তানের নিশ্বাস (স্কোপোলামিন) প্রয়োগ করে নাসিমা আক্তার নামে এক নারীর ২৩ ভরি সোনা ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।

ওইদিনের ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ সময় সংবাদের হাতে আসে। এতে দেখা যায়, ভবনে ঢুকছেন লাল রঙের পোশাক পরা এক নারী। যুতসই কোনো পরিচয়ে প্রবেশ করেন টার্গেট ফ্ল্যাটে। কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, স্বাভাবিকভাবে বেরিয়ে যাচ্ছেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী নারী নাসিমা আক্তারের দাবি, ওই নারী ফ্ল্যাটে ঢোকার কিছুক্ষণ পরই স্বাভাবিক চেতনা লোপ পায়। এমন কিছু একটা দিয়েছে যেটা শুধু নাক দিয়ে নিঃশ্বাসটা ব্রেনে যায়। সব দেখলেও কিংবা বুঝলেও কিছুই বোঝাতে পারছিলেন না নাসিমা। মুহূর্তেই কোনো কিছু না বুঝেই নির্দেশনামতো স্বর্ণালংকারসহ সব কিছু তুলে দেন তিনি।

এ ঘটনায় নাসিমা আক্তারের স্বামী বেলাল হোসেনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রূপনগর থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। মূলহোতা তানিয়াকে চিহ্নিত করে রূপনগর থানার তদন্ত দল। পরে ১০ নভেম্বর দিবাগত রাতে উত্তরা দিয়াবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদ আলম বলেন, তানিয়ার বিরুদ্ধে আগের মামলা রয়েছে ৩৮টি। সাম্প্রতিক সময়ে রূপনগর ও ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় সংঘটিত দুটি লুটের ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, তানিয়া কোনো একক অপরাধী নন, তিনি একটি সংঘবদ্ধ মাফিয়া চক্রের সদস্য। তার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিভিন্ন পরিচয়ে বাসায় ঢুকে মানুষকে অচেতন করে লুটের ঘটনা নতুন নয়। তবে তানিয়ার মতো পুরনো আসামিদের পুনরায় সক্রিয় হওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জই বলছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *