January 12, 2026, 2:41 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

তাহেরের হুঁশিয়ারি :“নো হাংকি পাংকি; গণভোট লাগবেই”

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন আগে নভেম্বরে গণভোট আয়োজন না হলে মাঠে আরও তীব্র আন্দোলন চালানো হবে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে পল্টন মোড়ের সমাবেশে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করেই ঘি লাগাবো — কিন্তু ঘি লাগবেই। নো হাংকি পাংকি।”

সমাবেশটি ছিল জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি দলের পূর্বঘোষিত পাঁচ দফা দাবির অংশ; তারা পরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেবে।
তাহেরের মূল দাবি ও বক্তব্যে উঠে এসেছে: অবিলম্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন; নভেম্বরে গণভোট আয়োজন করে ওই সনদের আইনগত ভিত্তি স্থাপন; প্রয়োজনে জীবন-রক্তও দেওয়ার কথাসহ দাবি আদায়ে দৃঢ়তা বজায় রাখা। তাহের বলেন, তারা আশা করেছিলেন জুলাই বিপ্লবের পর আর রাজপথে নামতে হবে না; কিন্তু সময়ের স্বল্পতায় আবারও আন্দোলনে দাঁড়াতে হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা রাজপথে এসেছি — প্রয়োজনে রক্ত দেব, জীবন দেব, কিন্তু জুলাই বিপ্লবকে ব্যর্থ হতে দেব না।”

তাহের সরকারের প্রতি আবেদন করে বলেন, আলোচনার জন্য রেফারির ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে এবং সময়ক্ষেপণ বন্ধ করে এখনই আলোচনা করা উচিত। তিনি বলেন, জামায়াত আলোচনার জন্য দুটি সদস্যের কমিটি গঠন করেছে এবং অন্য পক্ষও তাদেরকম কমিটি ঘোষণা করলে দ্রুত সমাধান সম্ভব। শুরুতে তিনি অনুগতভাবে জানিয়েছেন যে তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন চালাচ্ছে; তবে দাবি আদায় না হলে কৌশল পরিবর্তন করে কঠোর পদক্ষেপ নেবেন।
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা থাকা দরকার।

তাহের জানান, স্মারকলিপি দেওয়া সত্ত্বেও দাবি মানা না হলে ১১ নভেম্বর এর কর্মসূচি সফলভাবে পালন করা হবে — “চলো ঢাকা, চলো” নামে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেন, সময়ক্ষেপণ হলে তাঁদের ধৈর্য শেষ হবে এবং জনমানুষকে নিয়ে আন্দোলন তীব্র হবে। এসময় মঞ্চে যুগপৎ আন্দোলনে শরিকদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *