নিজস্ব প্রতিবেদক :
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হাউজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সিলগালা করা স্ট্রং রুমের তালা ভাঙা পাওয়া গেছে। এতে ভেতরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও আমদানি করা আগ্নেয়াস্ত্রের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে ভল্টের কোনো সামগ্রী বা নথি পুড়েনি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি কোনো মালামাল খোয়া গেছে কি না। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের স্ট্রং রুমের তালা ভাঙা, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও মালামালের ক্ষতির আশঙ্কা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হাউজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সিলগালা করা স্ট্রং রুমের তালা ভাঙা পাওয়া গেছে। এতে ভেতরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও আমদানি করা আগ্নেয়াস্ত্রের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে ভল্টের কোনো সামগ্রী বা নথি পুড়েনি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি কোনো মালামাল খোয়া গেছে কি না।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে তালা কাটার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে।
জিডিতে বলা হয়েছে, ২৪ অক্টোবর কার্গো আমদানি কমপ্লেক্সের স্ট্রং রুমের ভল্টের মালামাল সমস্ত উপস্থিত কর্মকর্তার নজরদারিতে তালাবদ্ধ করা হয়। ২৭ অক্টোবর রাত পর্যন্ত পুলিশ সদস্য ও আনসার তালা পরীক্ষা করেছিলেন। পরের দিন সকালে স্ট্রং রুমে তালা না থাকায় বিষয়টি ডিজিএম সিকিউরিটিকে জানানো হয়।
বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানান, স্ট্রং রুমে সাধারণত স্বর্ণ, হীরা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ উচ্চমূল্যের ও গুরুত্বপূর্ণ নথি রাখা হয়। মালামাল বের করতে বহু স্তরের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। ১৮ অক্টোবরের অগ্নিকাণ্ডের পর কার্গো হাউজের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ মহিদুল ইসলাম বলেন, “স্ট্রং রুমের তালা ভাঙার জিডি বিমানবন্দর থানায় হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি, তবে এখনও কিছু লুট হয়েছে কি না তা নিশ্চিত নয়।”
তালা ভাঙার ঘটনা ও ভেতরের মালামালের নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে তালা কাটার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে। জিডিতে বলা হয়েছে, ২৪ অক্টোবর কার্গো আমদানি কমপ্লেক্সের স্ট্রং রুমের ভল্টের মালামাল সমস্ত উপস্থিত কর্মকর্তার নজরদারিতে তালাবদ্ধ করা হয়। ২৭ অক্টোবর রাত পর্যন্ত পুলিশ সদস্য ও আনসার তালা পরীক্ষা করেছিলেন। পরের দিন সকালে স্ট্রং রুমে তালা না থাকায় বিষয়টি ডিজিএম সিকিউরিটিকে জানানো হয়।
বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানান, স্ট্রং রুমে সাধারণত স্বর্ণ, হীরা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ উচ্চমূল্যের ও গুরুত্বপূর্ণ নথি রাখা হয়। মালামাল বের করতে বহু স্তরের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। ১৮ অক্টোবরের অগ্নিকাণ্ডের পর কার্গো হাউজের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ মহিদুল ইসলাম বলেন, “স্ট্রং রুমের তালা ভাঙার জিডি বিমানবন্দর থানায় হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি, তবে এখনও কিছু লুট হয়েছে কি না তা নিশ্চিত নয়।” তালা ভাঙার ঘটনা ও ভেতরের মালামালের নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।