January 13, 2026, 6:29 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

আসন্ন নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি: প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ৭ লাখ ৬৮ হাজার নিরাপত্তা সদস্য

বাসস :
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার পুরোপুরি নির্বাচন-কেন্দ্রিক। নির্বাচনী নিরাপত্তা ও সমন্বয়ের জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই বাস্তবায়ন পর্যায়ে।”

নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোট ৭ লাখ ৬৮ হাজার সদস্য বিশেষ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছেন পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা। পুলিশ সদর দপ্তরের মানবসম্পদ বিভাগ আইন ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় নয়টি প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করেছে। এই মডিউল অনুযায়ী ১ লাখ ৫০ হাজার পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ৫ লাখ ৮৫ হাজার আনসার ও ভিডিপি সদস্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার সশস্ত্র এবং ৪ লাখ ৫০ হাজার নিরস্ত্র সদস্য রয়েছেন। দেশজুড়ে ৪৫ হাজার ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি কেন্দ্রে গড়ে ১৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৩ হাজার সদস্য (১,১০০ প্লাটুন) নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এ প্রশিক্ষণ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনের সময় ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যকে “স্ট্রাইকিং ফোর্স” হিসেবে মাঠে রাখা হবে, যারা তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা সংকটে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের সময় সমন্বয় নিশ্চিত করতে পুলিশ সদর দপ্তর এবং প্রতিটি জেলায় নির্বাচন কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে সিসিটিভি ও বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ২৬৪ পুলিশ সদস্য, ২ হাজার ১৪৫ আনসার ও ভিডিপি সদস্য, ৫ হাজার ৫১৩ বিজিবি সদস্য এবং ৬৩৪ কোস্ট গার্ড সদস্য। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বস্ত করে বলেন, “গণমাধ্যমের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। সাংবাদিকরা অবাধে নির্বাচন কাভার করতে পারবেন।” পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্যও উন্মুক্ত থাকবে নির্বাচনী ক্ষেত্র। তিনি আরও জানান, ভোটের আগে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চলছে। নির্বাচনের দিন সারাদেশে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত থাকবে, যাতে যেকোনো নিরাপত্তা সমস্যায় তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *