April 7, 2026, 3:09 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার

সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার
সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার/ ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম ক্লাবের একটি কক্ষ থেকে সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাবেক এই সেনাপ্রধানের মৃত্যুতে সেনাবাহিনী, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা সম্প্রদায় ও বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ করেছে।

আজ সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নগরীর কাজির দেউড়ির মোড়সংলগ্ন ক্লাবটির ৩০৮ নম্বর কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার মো. আলমগীর হোসেন জানান, রোববার বিকেল ৫টার দিকে হারুন-অর-রশিদ চট্টগ্রাম ক্লাবে ওঠেন। সকালে ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার সাড়া না পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে। তার লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

১৯৭০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। তবে শুরুতে ইঞ্জিনিয়ার কোরে যেতে চাইলেও কোম্পানি কমান্ডারের পরামর্শে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সেনা ক্যারিয়ারে তিনি কুমিল্লার ৪র্থ ইবিআর-এ প্রথম পোস্টিং পান।

পরবর্তীতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে তিনি জর্জিয়ায় বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনীতে তিনি অ্যাকাডেমিক মনোভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন। আর্মি স্টাফ কলেজ এবং পদাতিক ও কৌশল স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন।

২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদেশি সার্ভেয়ার অপহরণের সময় তিনি সেনাপ্রধান ছিলেন। অবসরের পর তিনি সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সহ-সভাপতি হন।

সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় তিনি আর্মি গলফ ক্লাবের প্রথম সভাপতি হন। ২০১৫ সালে এক আলোচনায় তিনি পাকিস্তানকে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *