May 23, 2026, 10:29 am
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

ময়মনসিংহ বড় মসজিদ মাদরাসায় দুই পক্ষে উত্তেজনা

ময়মনসিংহ বড় মসজিদ মাদরাসায় দুই পক্ষে উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদ মাদরাসায় শিক্ষককে ঘিরে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসক আজ (মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর) থেকে মাদরাসায় ছুটি ঘোষণা করলেও শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করেছেন। সকাল থেকেই তাদের মাদরাসায় অবস্থান করতে এবং পাঠ কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা যায়।

সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আজিজুল হকের বিরুদ্ধে চারিত্রিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের উদ্যোগে তদন্তও হয়। এরপর থেকে মাদরাসাটিতে দুটি পক্ষের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়, যা ধীরে ধীরে তীব্র উত্তেজনায় রূপ নেয়।

গতকাল সোমবার রাতে (২৭ অক্টোবর) প্রশাসনের সঙ্গে উভয় পক্ষের বৈঠক শেষে এশার নামাজের পর মাদরাসা চত্বরে সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যাতে একজন আহত হন। আজ দুপুরে মাদরাসা পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দুপুরে এক পক্ষের শিক্ষার্থীরা সমাবেশ করে জেলা প্রশাসকের পদত্যাগ দাবি করেন। কিতাব বিভাগের শিক্ষার্থী আজিজুল হক বলেন, জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের মনোভাব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করছি।

ঘটনা নিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম ফোন ধরেননি। তবে জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়— উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে ঘটনাটির শান্তিপূর্ণ সমাধান হলেও পরবর্তীতে মারামারির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদরাসা এলাকায় পুলিশ টহল অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *