January 13, 2026, 8:43 am
Headline :
জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে নিলেন আজহারী মায়ের জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য তারেক রহমানের ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে দার্জিলিং, তুষারপাতের শঙ্কা ঢাকা থেকে ৪৩৪ কিলোমিটার দূরে—জলপাইগুড়িতেও খালেদা জিয়ার জন্য শোকের মাতম পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় স্বাভাবিক যান চলাচল, বাড়তি চাপ নেই তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা দিলেন নেপাল–ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জনজোয়ারে সম্পন্ন হলো খালেদা জিয়ার জানাজা ট্রোরেলে চড়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন নেতাকর্মীরা কারওয়ান বাজার থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ: খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের ঢল খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিন চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিন চলছে। বুধবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করবেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

আপিলের পটভূমি :
এর আগে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) আপিলের প্রথম দিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি চলমান এই আপিল মামলাগুলো মূলত সুপ্রিম কোর্টের ২০১১ সালের রায়ের পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) ঘিরে গঠিত। ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছিল, যার ফলে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। এই রায়ের পর একই বছরের ৩০ জুন সংসদে পাস হয় পঞ্চদশ সংশোধনী আইন এবং ৩ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

কারা আবেদন করেছেন?
২০১১ সালের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন নাগরিক সংগঠন ‘সুজন’-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক। অন্য চারজন হলেন—তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। এছাড়াও পৃথকভাবে আপিল করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (১৬ অক্টোবর, ২০২৪) এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার (২৩ অক্টোবর, ২০২3)। এছাড়া নওগাঁর রানীনগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছেন।

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ইতিহাস সংক্ষেপে

  • ১৯৯৬: ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংযোজন।
  • ১৯৯৮: এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী এম সলিম উল্লাহ হাইকোর্টে রিট করেন।
  • ২০০৪: হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
  • ২০১১: আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে রায় দেন।
  • ২০১১ (জুন-জুলাই): পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চূড়ান্তভাবে বাতিল হয

আপিলের গুরুত্ব :
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আপিলের শুনানি রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রায় পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে আসবে কি না—এমন প্রশ্ন ঘিরেই দেশজুড়ে চলছে আলোচনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *