April 8, 2026, 5:09 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

শাহবাগে পৌঁছানোর আগেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আটকাল পুলিশ

শাহবাগে পৌঁছানোর আগেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আটকাল পুলিশ

জেডটিভি বাংলা ডেস্ক:

বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা শাহবাগের দিকে মিছিল নিয়ে আসার পথে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন। বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয় পুলিশ।

দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে পূর্বঘোষিত ‘শাহবাগ ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করতে রওনা দেন শিক্ষকরা। তাদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। তবে শাহবাগ মোড়ে পৌঁছানোর আগেই পুলিশের বাধায় থমকে যায় মিছিল।

শিক্ষকরা ব্যারিকেডের সামনে বসে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে।

এর আগে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বুধবারের শাহবাগ ব্লকেড কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

গত রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সেদিন পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে এবং কিছু শিক্ষক হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পর থেকে শিক্ষকরা সারাদেশে পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে আছেন।

দাবি প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “বাড়িভাড়া ২০ শতাংশের এক শতাংশও কম হবে না। চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৪৯৯ টাকার নিচে মেনে নেওয়া হবে না। আর কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ দিতে হবে—না হলে আন্দোলন চলবেই।”

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না এবং আন্দোলনের কর্মসূচি আরও বর্ধিত করা হবে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শাহবাগের আশপাশে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *