April 7, 2026, 6:32 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

সৌদি, তুরস্ক ও ইরাকের জন্যও ইসরায়েলি বোমা অপেক্ষা করছে: সাবেক আইআরজিসি প্রধান

সৌদি, তুরস্ক ও ইরাকের জন্যও ইসরায়েলি বোমা অপেক্ষা করছে: সাবেক আইআরজিসি প্রধান

অনলাইন ডেস্ক:

টেলিহেডলাইন: ইরানের প্রভাবশালী সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার মোহসেন রেজাই সামাজিক মাধ্যমে সতর্ক করে বলেছেন—মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিষেধক ব্যবস্থা গড়ে না তুলে, তবে তারা ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়ার লক্ষ্য হতে পারে।

ঢাকা, শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর): ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান মোহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত একটি পোস্টে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের প্রতি সর্তক বার্তা দিয়েছেন। রেজাই বলেছেন, যদি সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরাক ও অন্যান্য মুসলিম-আরব দেশগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘সামরিক জোট’ গঠন করে বাস্তব পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তারা স্বয়ং ইসরায়েলি আগ্রাসনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

রেজাই তার পোস্টে দোহার বিশেষ ইসলামিক-আরব শীর্ষ সম্মেলনে এই ইস্যুটি গুরুত্বসহ আলোচনা করার আহ্বান জানান। তিনি লিখেছেন—শীর্ষ সম্মেলন যদি ‘ইহুদিবাদী সরকারের’ আগ্রাসন ও গাজায় নিহত মানুষের বিরুদ্ধে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সৌদি, তুরস্ক ও ইরাককেও বোমা হামলার সম্ভাব্যতার মুখে পড়তে হতে পারে।

রেজাই বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা সংক্রান্ত একটি করেছে কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তার এই বক্তব্যটি ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজ-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধের প্রেক্ষিতে এসেছে, যেখানে ইসরায়েল তুরস্ক বা কাতারকে লক্ষ্য করে কৌশলগত বিকল্প নিয়ে বিবেচনা করতে পারে—এ ধরনের পরামর্শের সম্ভাব্য বিপর্যয়কালীণ প্রভাব খোঁজা হয়।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশকে সামনে রেখে রেজাইয়ের সাথে এক ধরণের ন্যায্যতার ডাক দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি; তিনিও মুসলিম দেশগুলোকে ‘যৌথ অভিযান সদর দফতর’ গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন যাতে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা বন্ধ করা যায়—এ কথাও প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, হারেৎজের ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, পারস্পরিক সংঘর্ষে কাপড়ঝরা কৌশলগত ফলপ্রসূতা ও অঞ্চলের জটিলতাকে বিবেচনা করে তেল আবিব পূর্বে কিছু অভিযানের পরিকল্পনা স্থগিত করেছিল; বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, নতুন কোনো ফ্রন্ট খুলে পড়লে তা ‘বিপর্যয়কর’ পরিণতিতে পৌঁছতে পারে।

এই বিতর্কিত মন্তব্য ও আন্তর্জাতিক মতামতের প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ও প্রতিক্রিয়া মেলামেশা চলছে; সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি উচ্চপর্যায়ের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও সার্বজনীনভাবে জানানো হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *