April 7, 2026, 8:17 am
Headline :
বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা ‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন ‎সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ ‘নানা ভাই’ বাহিনীর কবল থেকে ৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড মোংলা বন্দরে ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল নিয়ে দুই জাহাজের আগমন নোয়াখালী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে আল আমিন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মোংলায় কোস্টগার্ড সদস্যের বুকে গুলি চালিয়ে  আত্মহত্যা সংসদে মাইক বিভ্রাট, ২০ মিনিটের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশন শুরু

৭৫ কোটি টাকার কর ফাঁকি: এস আলমের দুই ছেলেসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৭৫ কোটি টাকার কর ফাঁকি: এস আলমের দুই ছেলেসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

৭৫ কোটি টাকার কর ফাঁকির ঘটনায় আলোচিত ব্যবসায়ী এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলমের দুই ছেলে এবং কর কর্মকর্তা ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—সাইফুল আলমের ছেলে আশরাফুল আলম ও আসাদুল আলম মাহির,সাবেক উপকর কমিশনার আমিনুল ইসলাম

সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৭ কর্মকর্তা: সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. হেলাল উদ্দিন, শাখা প্রধান মুহাম্মদ আমির হোসেন, প্রাক্তন এসএভিপি মো. আহসানুল হক, প্রাক্তন এসএভিপি রুহুল আবেদীন, কর্মকর্তা শামীমা আক্তার, মো. আনিস উদ্দিন, গাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়—আসামিরা জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া পে-অর্ডার তৈরি করে এবং ৫০০ কোটি টাকার অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে ১২৫ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরিবর্তে মাত্র ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করেন। এর ফলে সরকার রাজস্ব ক্ষতির শিকার হয় প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।

তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে এস আলমের দুই ছেলেকে বাড়তি কর-সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তিন কর কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল। এরপর থেকেই এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয়।

২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছিল ১০ শতাংশ করের বিনিময়ে। কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ করের বিধান ধরলে ৫০০ কোটি টাকার বিপরীতে ন্যূনতম ১২৫ কোটি টাকা কর দেওয়া উচিত ছিল। অথচ তারা মাত্র ৫০ কোটি টাকা দিয়ে কর ফাঁকি দেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *