May 22, 2026, 9:31 pm
Headline :
সোনাইমুড়িতে মাদক সিন্ডিকেট বাঁচাতে মরিয়া চক্র: বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে স্থানীয় নেতাকে সোনাইমুড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রিপন হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রেমের টানে সীমানা পার! জামালপুরের লিমার সাথে শেরপুরের মিলনের পরকীয়া নিয়ে তোলপাড়। নোয়াখালীতে সাংবাদিক গুলজার হানিফকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকির সোনাইমুড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা: থানায় মামলা মনোনয়ন দৌড়ে নোয়াখালীর তিন নারী নেত্রী: আলোচনায় শাহীনুর সাগর ও শাহনাজ পারভিন বিজয়নগরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারিগর শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম। পদিপাড়া বাজার মসজিদে অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিককে হুমকি: স্থানীয়দের ক্ষোভ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে মির্জা এন এইচ রুবেল-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও বিশেষ বার্তা

রাষ্ট্রপতির দাবি ‘অসত্য’: বিভিন্ন জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে ছিল ছবি ও বাণী

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেডটিভি অনলাইন ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের করা দুটি দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে ‘অকার্যকর’ করে রেখেছে বলে রাষ্ট্রপতি যে দাবি করেছেন, অনুসন্ধানে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে বাণী না থাকা এবং প্রেস উইং অকার্যকর করার দাবি দুটি তথ্যের ভিত্তিতে নাকচ করে দিয়েছে ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদন।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য কী ছিল?

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে অকার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ক্রিকেট দলের জয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো সাধারণ প্রেস রিলিজও তিনি দিতে পারছেন না।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য কী ছিল?

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে অকার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ক্রিকেট দলের জয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো সাধারণ প্রেস রিলিজও তিনি দিতে পারছেন না।

অনুসন্ধানে যা পাওয়া গেছে

তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের আর্কাইভ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রাষ্ট্রপতির এই দাবিগুলো বাস্তবসম্মত নয়।

  • ক্রোড়পত্রে বাণী ও ছবি: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে রাষ্ট্রপতির ছবি ও বাণী প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
    • সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর, ২০২৪ ও ২০২৫)
    • বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ও ২০২৫)
    • স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ, ২০২৫)
    • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস (৫ আগস্ট, ২০২৫) প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, সমকাল ও ইত্তেফাকের মতো শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় এসব ক্রোড়পত্র নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে।

প্রেস রিলিজের সক্রিয়তা: বঙ্গভবনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর থেকে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৩৪টি প্রেস রিলিজ আপলোড করা হয়েছে। যার শুরুটা হয়েছিল ৬ আগস্ট ২০২৪-এ ‘জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। এছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পরিচয়পত্র পেশ, সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাবার্তাও নিয়মিত প্রেস রিলিজ আকারে প্রকাশিত হয়েছে।Gemini said

আপনার সংবাদ ওয়েবসাইটের (https://www.google.com/search?q=ztv.com) জন্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাম্প্রতিক দাবি এবং তার সত্যতা নিয়ে একটি সংবাদ প্রতিবেদন নিচে তৈরি করে দেওয়া হলো:


রাষ্ট্রপতির দাবি ‘অসত্য’: বিভিন্ন জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে ছিল ছবি ও বাণী

নিজস্ব প্রতিবেদক | জেডটিভি অনলাইন ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের করা দুটি দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে ‘অকার্যকর’ করে রেখেছে বলে রাষ্ট্রপতি যে দাবি করেছেন, অনুসন্ধানে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে বাণী না থাকা এবং প্রেস উইং অকার্যকর করার দাবি দুটি তথ্যের ভিত্তিতে নাকচ করে দিয়েছে ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদন।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য কী ছিল?

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে অকার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ক্রিকেট দলের জয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো সাধারণ প্রেস রিলিজও তিনি দিতে পারছেন না।

অনুসন্ধানে যা পাওয়া গেছে

তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের আর্কাইভ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রাষ্ট্রপতির এই দাবিগুলো বাস্তবসম্মত নয়।

  • ক্রোড়পত্রে বাণী ও ছবি: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে রাষ্ট্রপতির ছবি ও বাণী প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
    • সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর, ২০২৪ ও ২০২৫)
    • বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ও ২০২৫)
    • স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ, ২০২৫)
    • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস (৫ আগস্ট, ২০২৫) প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, সমকাল ও ইত্তেফাকের মতো শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় এসব ক্রোড়পত্র নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে।
  • প্রেস রিলিজের সক্রিয়তা: বঙ্গভবনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর থেকে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৩৪টি প্রেস রিলিজ আপলোড করা হয়েছে। যার শুরুটা হয়েছিল ৬ আগস্ট ২০২৪-এ ‘জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। এছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পরিচয়পত্র পেশ, সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাবার্তাও নিয়মিত প্রেস রিলিজ আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

অসত্য দাবির নেপথ্যে বিতর্ক

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। যেখানে সরকারি নথিপত্র এবং সংবাদপত্রের পাতায় তার কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে, সেখানে ‘প্রতিবন্ধী করে রাখা’ বা ‘বাণী দিতে না পারা’র মতো দাবিগুলো ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, যার ধারাবাহিকতায় এই সাক্ষাৎকারটি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিল।


Aks/জেডটিভি নিউজ ডেস্ক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *