নিজস্ব প্রতিবেদক | জেডটিভি অনলাইন ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের করা দুটি দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে ‘অকার্যকর’ করে রেখেছে বলে রাষ্ট্রপতি যে দাবি করেছেন, অনুসন্ধানে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে বাণী না থাকা এবং প্রেস উইং অকার্যকর করার দাবি দুটি তথ্যের ভিত্তিতে নাকচ করে দিয়েছে ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে অকার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ক্রিকেট দলের জয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো সাধারণ প্রেস রিলিজও তিনি দিতে পারছেন না।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে অকার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ক্রিকেট দলের জয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো সাধারণ প্রেস রিলিজও তিনি দিতে পারছেন না।

তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের আর্কাইভ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রাষ্ট্রপতির এই দাবিগুলো বাস্তবসম্মত নয়।

প্রেস রিলিজের সক্রিয়তা: বঙ্গভবনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর থেকে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৩৪টি প্রেস রিলিজ আপলোড করা হয়েছে। যার শুরুটা হয়েছিল ৬ আগস্ট ২০২৪-এ ‘জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। এছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পরিচয়পত্র পেশ, সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাবার্তাও নিয়মিত প্রেস রিলিজ আকারে প্রকাশিত হয়েছে।Gemini said
আপনার সংবাদ ওয়েবসাইটের (https://www.google.com/search?q=ztv.com) জন্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাম্প্রতিক দাবি এবং তার সত্যতা নিয়ে একটি সংবাদ প্রতিবেদন নিচে তৈরি করে দেওয়া হলো:
নিজস্ব প্রতিবেদক | জেডটিভি অনলাইন ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের করা দুটি দাবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে ‘অকার্যকর’ করে রেখেছে বলে রাষ্ট্রপতি যে দাবি করেছেন, অনুসন্ধানে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে বাণী না থাকা এবং প্রেস উইং অকার্যকর করার দাবি দুটি তথ্যের ভিত্তিতে নাকচ করে দিয়েছে ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংকে অকার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ক্রিকেট দলের জয়ে অভিনন্দন জানানোর মতো সাধারণ প্রেস রিলিজও তিনি দিতে পারছেন না।
তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের আর্কাইভ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রাষ্ট্রপতির এই দাবিগুলো বাস্তবসম্মত নয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। যেখানে সরকারি নথিপত্র এবং সংবাদপত্রের পাতায় তার কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে, সেখানে ‘প্রতিবন্ধী করে রাখা’ বা ‘বাণী দিতে না পারা’র মতো দাবিগুলো ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, যার ধারাবাহিকতায় এই সাক্ষাৎকারটি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিল।
Aks/জেডটিভি নিউজ ডেস্ক