নিজস্ব প্রতিবেদক :
যশোরে টানা তীব্র শীতে সাধারণ মানুষ ও কৃষকেরা চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। গত দুই দিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার পরও রোববার তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি।
বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে রোববার ১০.৮ ডিগ্রি, শনিবার ৮.৮ ডিগ্রি এবং শুক্রবার ৯ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় ভোর থেকে শহর জুড়ে মানুষ জবুথবু হয়ে চলাচল করছেন।
দিনমজুর, রিকশাচালক ও শ্রমিকদের জন্য শীত আরও কষ্টদায়ক। শহরের ফুটপাত ও বাজারে গরম কাপড়ের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপও বেড়েছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব পড়েছে কৃষিকাজেও। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে রবি ফসল, বোরো ধানের বীজতলা এবং মৌ খামারিদের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত ফসল পর্যবেক্ষণ করছেন যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
শহরের রিকশাচালক আমিরুল বলেন, “কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডার কারণে যাত্রী কম, তবু জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ঘর ছেড়ে বের হতে হয়।”